বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে চট্টগ্রামের মাটি ও মানুষের সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ এই বন্দরনগরী থেকেই তিনি পাকিস্তানি জান্তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দিয়েছিলেন। চট্টগ্রামের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন ‘বিপ্লব উদ্যান’ আজও সেই ঐতিহাসিক প্রতিরোধের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে তৎকালীন মেজর জিয়ার ক্ষাত্রতেজ বাঙালির মুক্তিসংগ্রামকে এক নতুন দিশা দিয়েছিল।
ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র ছিল একাত্তরের উত্তাল দিনগুলোতে মুক্তিকামী মানুষের আশার প্রদীপ। এখান থেকেই স্বাধীনতার ঘোষণা বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। চট্টগ্রামের এই জনপদ শুধু ভৌগোলিক এলাকা নয়, বরং এটি শহীদ জিয়ার রাজনৈতিক ও সংগ্রামী জীবনের এক জীবন্ত মানচিত্র। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ফলে বারবার এই ঐতিহাসিক স্থানগুলোর গুরুত্ব ম্লান করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
জিয়াউর রহমানের শাহাদতবরণ এবং পরবর্তী সময়ে রাঙ্গুনিয়ার পাহাড়ে তার প্রথম শয়ান—সব মিলিয়ে চট্টগ্রাম যেন তার জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। স্বাধীনতার এই অকুতোভয় বীরের স্মৃতিকে ধরে রাখতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা স্থাপনাগুলো আজও এ দেশের মানুষের কাছে দেশপ্রেমের প্রেরণা হিসেবে কাজ করে।
রিপোর্টারের নাম 























