ঢাকা ১০:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

ইউরোপে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু

ইউরোপজুড়ে বয়ে যাওয়া তীব্র তাপপ্রবাহে মাত্র আট দিনে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গত জুন মাসের শেষ দিকে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে বলে ইউরোপভিত্তিক স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউরোমোমোর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। সংস্থাটি মূলত ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০ থেকে ২৮ জুনের মধ্যে ইইউভুক্ত ২৭টি দেশে এই মৃত্যুর ঘটনাগুলো রেকর্ড করা হয়েছে। মৃতদের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশেরই বয়স ৬৫ বছরের বেশি। চিকিৎসকদের মতে, অধিকাংশ মৃত্যুর কারণ ছিল হিট-স্ট্রোক এবং অতিরিক্ত গরমে সৃষ্ট হৃদযন্ত্র ও শ্বাসতন্ত্রের জটিলতা। ডেনমার্কের স্ট্যাটেন্স সেরাম ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এত অল্প সময়ে বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃত্যু মোটেও স্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয়।

তীব্র এই গরমে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফ্রান্স ও বেলজিয়াম। ইউরোপীয় ইউনিয়নের রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ইসিডিপিসি জানিয়েছে, করোনা মহামারির পর এক সপ্তাহে মৃত্যুর এমন উচ্চহার আগে দেখা যায়নি। জলবায়ু বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেই বারবার এমন চরম আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে হচ্ছে ইউরোপকে, যা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালির ইয়ানিক সিনার উইম্বলডনের শিরোপা ধরে রাখলেন

ইউরোপে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:২১:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

ইউরোপজুড়ে বয়ে যাওয়া তীব্র তাপপ্রবাহে মাত্র আট দিনে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গত জুন মাসের শেষ দিকে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে বলে ইউরোপভিত্তিক স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউরোমোমোর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। সংস্থাটি মূলত ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০ থেকে ২৮ জুনের মধ্যে ইইউভুক্ত ২৭টি দেশে এই মৃত্যুর ঘটনাগুলো রেকর্ড করা হয়েছে। মৃতদের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশেরই বয়স ৬৫ বছরের বেশি। চিকিৎসকদের মতে, অধিকাংশ মৃত্যুর কারণ ছিল হিট-স্ট্রোক এবং অতিরিক্ত গরমে সৃষ্ট হৃদযন্ত্র ও শ্বাসতন্ত্রের জটিলতা। ডেনমার্কের স্ট্যাটেন্স সেরাম ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এত অল্প সময়ে বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃত্যু মোটেও স্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয়।

তীব্র এই গরমে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফ্রান্স ও বেলজিয়াম। ইউরোপীয় ইউনিয়নের রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ইসিডিপিসি জানিয়েছে, করোনা মহামারির পর এক সপ্তাহে মৃত্যুর এমন উচ্চহার আগে দেখা যায়নি। জলবায়ু বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেই বারবার এমন চরম আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে হচ্ছে ইউরোপকে, যা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।