ঢাকা ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে প্রথম বিদেশ সফরে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী

ইরাকের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি তার প্রথম বিদেশ সফরে সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ আমন্ত্রণে এই সফর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বাগদাদে সরকারি এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন এবং ওয়াশিংটনে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন।

এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ইরাকের বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠনে মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে ইরাকের তেল রপ্তানি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে দেশটি বড় ধরনের রাজস্ব সংকটের মুখে পড়েছে। বৈঠকে বিশেষ করে তেল ও বিদ্যুৎ খাতে দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া অবকাঠামো উন্নয়ন ও জনসেবা খাতের ভঙ্গুর দশা কাটিয়ে উঠতে যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহায়তা চাইবে ইরাক।

আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা রক্ষার বিষয়টিও এই সফরে গুরুত্ব পাবে। বিশেষ করে ইরাকের অভ্যন্তরে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্রীকরণ এবং রাষ্ট্রের একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের চাপ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আল-জাইদি এই সফরে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে, যা ইরাকের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সহায়ক হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশাল সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যোগ দেবেন বৃক্ষরোপণ ও মতবিনিময় সভায়

ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে প্রথম বিদেশ সফরে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:১৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

ইরাকের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি তার প্রথম বিদেশ সফরে সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ আমন্ত্রণে এই সফর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বাগদাদে সরকারি এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন এবং ওয়াশিংটনে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন।

এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ইরাকের বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠনে মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে ইরাকের তেল রপ্তানি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে দেশটি বড় ধরনের রাজস্ব সংকটের মুখে পড়েছে। বৈঠকে বিশেষ করে তেল ও বিদ্যুৎ খাতে দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া অবকাঠামো উন্নয়ন ও জনসেবা খাতের ভঙ্গুর দশা কাটিয়ে উঠতে যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহায়তা চাইবে ইরাক।

আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা রক্ষার বিষয়টিও এই সফরে গুরুত্ব পাবে। বিশেষ করে ইরাকের অভ্যন্তরে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্রীকরণ এবং রাষ্ট্রের একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের চাপ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আল-জাইদি এই সফরে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে, যা ইরাকের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সহায়ক হবে।