ঢাকা ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

হরমুজে নজিরবিহীন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে ইরান

হরমুজ প্রণালিতে ইরান এমন এক কৌশল অবলম্বন করছে যা আগে কখনো দেখা যায়নি। ওমান উপকূলে একটি জাহাজে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনা ইঙ্গিত দেয় যে, এই কৌশলগত নৌপথের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে তেহরান মরিয়া হয়ে উঠেছে।

ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার ফর মেরিটাইম স্ট্র্যাটেজি’র সিনিয়র ফেলো ইয়ান রালবি এই দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ইরান হরমুজ প্রণালিতে কেবল একটি অনুমতি ব্যবস্থাপনাই চালু করতে চাইছে না, বরং তারা সেখানে অর্থ প্রদান ও তদারকি ব্যবস্থা কার্যকর করার চেষ্টা করছে। আর এই কাজটি তারা গায়ের জোরে বা সামরিক শক্তির মাধ্যমে চাপিয়ে দিতে চায়।

রালবি সতর্ক করে বলেন, এই ঘটনা নজিরবিহীন এবং এটি বৈশ্বিক মুক্ত নৌচলাচলের জন্য কোনোভাবেই সুসংবাদ নয়। বিশ্ব অর্থনীতির জন্যও এটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কারণ, ইরান যদি এতে সফল হয়, তবে অন্য দেশগুলোও একই পথে হাঁটতে পারে। রালবি আরও জানান, ইরানের এই কৌশল ইতোমধ্যে ফল দিতে শুরু করেছে। চলতি সপ্তাহে হামলার পর এই অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বহুলাংশে কমে গেছে। বর্তমানে কেবল ইরানের সমুদ্রসীমা দিয়েই কিছু জাহাজ চলাচল করছে। এর অর্থ হলো, ইরান যা করার চেষ্টা করছে, তাতে তারা সফল হতে শুরু করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবি

হরমুজে নজিরবিহীন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে ইরান

আপডেট সময় : ০৮:০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে ইরান এমন এক কৌশল অবলম্বন করছে যা আগে কখনো দেখা যায়নি। ওমান উপকূলে একটি জাহাজে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনা ইঙ্গিত দেয় যে, এই কৌশলগত নৌপথের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে তেহরান মরিয়া হয়ে উঠেছে।

ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার ফর মেরিটাইম স্ট্র্যাটেজি’র সিনিয়র ফেলো ইয়ান রালবি এই দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ইরান হরমুজ প্রণালিতে কেবল একটি অনুমতি ব্যবস্থাপনাই চালু করতে চাইছে না, বরং তারা সেখানে অর্থ প্রদান ও তদারকি ব্যবস্থা কার্যকর করার চেষ্টা করছে। আর এই কাজটি তারা গায়ের জোরে বা সামরিক শক্তির মাধ্যমে চাপিয়ে দিতে চায়।

রালবি সতর্ক করে বলেন, এই ঘটনা নজিরবিহীন এবং এটি বৈশ্বিক মুক্ত নৌচলাচলের জন্য কোনোভাবেই সুসংবাদ নয়। বিশ্ব অর্থনীতির জন্যও এটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কারণ, ইরান যদি এতে সফল হয়, তবে অন্য দেশগুলোও একই পথে হাঁটতে পারে। রালবি আরও জানান, ইরানের এই কৌশল ইতোমধ্যে ফল দিতে শুরু করেছে। চলতি সপ্তাহে হামলার পর এই অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বহুলাংশে কমে গেছে। বর্তমানে কেবল ইরানের সমুদ্রসীমা দিয়েই কিছু জাহাজ চলাচল করছে। এর অর্থ হলো, ইরান যা করার চেষ্টা করছে, তাতে তারা সফল হতে শুরু করেছে।