মাদারীপুর সদর মডেল থানায় আটক এক নারী আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলাকারী এক উপপরিদর্শক (এসআই) এবং এক কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে সদর মডেল থানার অস্থায়ী ভবনের ভেতর। পালিয়ে যাওয়া হাসিনা বেগম (৩৫) নামে ওই নারী মাদারীপুর পৌরসভাধীন থানতলী এলাকার হবি হাওলাদারের মেয়ে এবং সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের কালাইমারা এলাকার আল-আমিনের স্ত্রী।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে হাসিনা বেগমকে আটক করে সদর মডেল থানাধীন ইটেরপুল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোকসেদুর রহমান। পরে তাকে মাদারীপুর সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মূল ভবনটি নির্মাণাধীন থাকায় থানার কার্যক্রম ওসির বাসভবনের নিচতলায় অস্থায়ীভাবে চলছিল। সেখানে আসামিদের জন্য কোনো হাজতখানা না থাকায় বারান্দার একটি কক্ষে পুলিশি হেফাজতে হাসিনা বেগমকে রাখা হয়েছিল। রাত দেড়টার দিকে সুযোগ বুঝে হাসিনা ওই কক্ষের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
আসামি পালানোর ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডিউটি অফিসার) রমজান আলী সজল এবং এক কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় শুক্রবার রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিহা রফিক ভাবনাকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পুলিশ সুপার আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 






















