ঢাকা ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

সাগরে মাছের আকাল ও বৈরী আবহাওয়া, চরম সংকটে কুয়াকাটার জেলেরা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০২:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে বুকভরা আশা নিয়ে সাগরে গিয়েছিলেন পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার জেলেরা। তবে লঘুচাপের কারণে সৃষ্ট প্রতিকূল আবহাওয়া এবং উত্তাল সমুদ্রের কারণে তাদের সেই আশা এখন নিরাশায় পরিণত হয়েছে। কুয়াকাটা, মহিপুর ও আলিপুর মৎস্য বন্দরের শত শত ট্রলার সামান্য মাছ নিয়ে কিংবা খালি হাতে ঘাটে ফিরে আসছে, যার ফলে চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন হাজারো জেলে পরিবার।

জেলেরা জানান, ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে সাগরে গেলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে ডিজেল ও বরফের খরচটুকুও তুলতে পারছেন না তারা। প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি সাগরে অবৈধ ট্রলিং বোটের দৌরাত্ম্যকে মৎস্য সংকটের প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী করছেন স্থানীয়রা। আধুনিক সরঞ্জাম নিয়ে আসা এসব বোট উপকূলের কাছাকাছি এসে নিষিদ্ধ জাল দিয়ে নির্বিচারে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছে, যা সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের জন্য বড় হুমকি।

জেলেদের অভিযোগ, অবৈধ ট্রলিংয়ের ফলে শুধু মাছের সংকটই তৈরি হচ্ছে না, বরং তাদের দামী জালও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে জীবন-জীবিকা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন উপকূলীয় মৎস্যজীবীরা। সংকট মোকাবিলায় এবং সাধারণ জেলেদের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ ও নিয়মিত অভিযানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী ও জেলেরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: ৪১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুত

সাগরে মাছের আকাল ও বৈরী আবহাওয়া, চরম সংকটে কুয়াকাটার জেলেরা

আপডেট সময় : ১০:০২:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

দীর্ঘ ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে বুকভরা আশা নিয়ে সাগরে গিয়েছিলেন পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার জেলেরা। তবে লঘুচাপের কারণে সৃষ্ট প্রতিকূল আবহাওয়া এবং উত্তাল সমুদ্রের কারণে তাদের সেই আশা এখন নিরাশায় পরিণত হয়েছে। কুয়াকাটা, মহিপুর ও আলিপুর মৎস্য বন্দরের শত শত ট্রলার সামান্য মাছ নিয়ে কিংবা খালি হাতে ঘাটে ফিরে আসছে, যার ফলে চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন হাজারো জেলে পরিবার।

জেলেরা জানান, ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে সাগরে গেলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে ডিজেল ও বরফের খরচটুকুও তুলতে পারছেন না তারা। প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি সাগরে অবৈধ ট্রলিং বোটের দৌরাত্ম্যকে মৎস্য সংকটের প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী করছেন স্থানীয়রা। আধুনিক সরঞ্জাম নিয়ে আসা এসব বোট উপকূলের কাছাকাছি এসে নিষিদ্ধ জাল দিয়ে নির্বিচারে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছে, যা সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের জন্য বড় হুমকি।

জেলেদের অভিযোগ, অবৈধ ট্রলিংয়ের ফলে শুধু মাছের সংকটই তৈরি হচ্ছে না, বরং তাদের দামী জালও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে জীবন-জীবিকা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন উপকূলীয় মৎস্যজীবীরা। সংকট মোকাবিলায় এবং সাধারণ জেলেদের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ ও নিয়মিত অভিযানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী ও জেলেরা।