ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

ল্যাপটপ চুরি ও অনিয়মের অভিযোগ: চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুলশিক্ষিকা বরখাস্ত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০২:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় নানা অনিয়ম ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে নাসরিন সুলতানা নামে এক সহকারী শিক্ষিকাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি রহনপুর ২ নং মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। বৃহস্পতিবার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের ল্যাপটপ চুরি, শিক্ষা অফিস জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি, শিক্ষার্থীদের মারধর এবং প্রধান শিক্ষকের অবজ্ঞাসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে ল্যাপটপ চুরির প্রমাণ পাওয়ার পর পুলিশের হস্তক্ষেপে তিনি সেটি ফেরত দেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলমান থাকলেও তিনি শুনানিতে অংশ নেননি বলে জানা গেছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, নাসরিন সুলতানা নিয়মবহির্ভূতভাবে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকতেন এবং সহকর্মীদের সঙ্গে বিবাদে জড়াতেন। তার এসব কর্মকাণ্ডে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছিল। তদন্তের স্বার্থে এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাসরিন সুলতানা। তার দাবি, ল্যাপটপটি চুরির উদ্দেশ্যে নয় বরং কাজের প্রয়োজনে বাড়িতে নিয়েছিলেন। তিনি নিজেকে ষড়যন্ত্রের শিকার বলে দাবি করেছেন এবং আইনিভাবে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইনি বাধা কাটল: চট্টগ্রাম-২ আসনের বিজয়ী প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের গেজেট প্রকাশ

ল্যাপটপ চুরি ও অনিয়মের অভিযোগ: চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুলশিক্ষিকা বরখাস্ত

আপডেট সময় : ০৯:০২:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় নানা অনিয়ম ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে নাসরিন সুলতানা নামে এক সহকারী শিক্ষিকাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি রহনপুর ২ নং মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। বৃহস্পতিবার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের ল্যাপটপ চুরি, শিক্ষা অফিস জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি, শিক্ষার্থীদের মারধর এবং প্রধান শিক্ষকের অবজ্ঞাসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে ল্যাপটপ চুরির প্রমাণ পাওয়ার পর পুলিশের হস্তক্ষেপে তিনি সেটি ফেরত দেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলমান থাকলেও তিনি শুনানিতে অংশ নেননি বলে জানা গেছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, নাসরিন সুলতানা নিয়মবহির্ভূতভাবে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকতেন এবং সহকর্মীদের সঙ্গে বিবাদে জড়াতেন। তার এসব কর্মকাণ্ডে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছিল। তদন্তের স্বার্থে এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাসরিন সুলতানা। তার দাবি, ল্যাপটপটি চুরির উদ্দেশ্যে নয় বরং কাজের প্রয়োজনে বাড়িতে নিয়েছিলেন। তিনি নিজেকে ষড়যন্ত্রের শিকার বলে দাবি করেছেন এবং আইনিভাবে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন।