ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি: পানিবন্দি ৫ লাখ মানুষ, ৪ দিনে ২২ মৃত্যু

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হয়েছে। জেলার ১০টি উপজেলার অন্তত ৩৫টি ইউনিয়নের দেড় শতাধিক গ্রাম এখন পানির নিচে। এতে প্রায় ৫ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। গত চার দিনে পাহাড়ধস ও বন্যার পানিতে ডুবে জেলায় অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, জেলার প্রধান দুই নদী বাঁকখালী ও মাতামুহুরীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। চকরিয়া, পেকুয়া, উখিয়া ও টেকনাফসহ বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ জনপদ প্লাবিত হওয়ায় বহু ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে চকরিয়া ও পেকুয়ায় জলাবদ্ধতা তীব্র হওয়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

পাহাড়ধসের ঝুঁকি বাড়ায় পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন পরিস্থিতি মোকাবিলায় ত্রাণ তৎপরতা শুরু করলেও দুর্গম এলাকাগুলোতে যাতায়াত ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় সহায়তা পৌঁছাতে বেগ পেতে হচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইনি বাধা কাটল: চট্টগ্রাম-২ আসনের বিজয়ী প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের গেজেট প্রকাশ

কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি: পানিবন্দি ৫ লাখ মানুষ, ৪ দিনে ২২ মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৮:৫৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হয়েছে। জেলার ১০টি উপজেলার অন্তত ৩৫টি ইউনিয়নের দেড় শতাধিক গ্রাম এখন পানির নিচে। এতে প্রায় ৫ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। গত চার দিনে পাহাড়ধস ও বন্যার পানিতে ডুবে জেলায় অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, জেলার প্রধান দুই নদী বাঁকখালী ও মাতামুহুরীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। চকরিয়া, পেকুয়া, উখিয়া ও টেকনাফসহ বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ জনপদ প্লাবিত হওয়ায় বহু ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে চকরিয়া ও পেকুয়ায় জলাবদ্ধতা তীব্র হওয়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

পাহাড়ধসের ঝুঁকি বাড়ায় পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন পরিস্থিতি মোকাবিলায় ত্রাণ তৎপরতা শুরু করলেও দুর্গম এলাকাগুলোতে যাতায়াত ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় সহায়তা পৌঁছাতে বেগ পেতে হচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।