ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা: রায় ঘোষণার তারিখ ১৪ জুলাই

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর মামলার রায়ের দিন ধার্য করেছেন আদালত। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আগামী ১৪ জুলাই এই বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করবেন সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার। বুধবার রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত এই সিদ্ধান্ত জানান।

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সিলেটের টিলাগড় এলাকায় এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে এই ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটে। বেড়াতে আসা এক দম্পতিকে আটকে রেখে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠনের কয়েকজন ক্যাডার স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এই ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছিল। মামলার প্রধান আসামিদের মধ্যে সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি ও তারেকুল ইসলামসহ আটজন রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল থেকে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়েছিল। বিচার প্রক্রিয়ায় মোট ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে এখন চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও সাধারণ মানুষ। সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানিয়েছেন, ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় তারা আদালতের রায়ের দিকে তাকিয়ে আছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে হামের প্রকোপ বাড়ছে: ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৯৪৬

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা: রায় ঘোষণার তারিখ ১৪ জুলাই

আপডেট সময় : ০৬:২৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর মামলার রায়ের দিন ধার্য করেছেন আদালত। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আগামী ১৪ জুলাই এই বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করবেন সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার। বুধবার রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত এই সিদ্ধান্ত জানান।

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সিলেটের টিলাগড় এলাকায় এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে এই ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটে। বেড়াতে আসা এক দম্পতিকে আটকে রেখে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠনের কয়েকজন ক্যাডার স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এই ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছিল। মামলার প্রধান আসামিদের মধ্যে সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি ও তারেকুল ইসলামসহ আটজন রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল থেকে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়েছিল। বিচার প্রক্রিয়ায় মোট ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে এখন চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও সাধারণ মানুষ। সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানিয়েছেন, ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় তারা আদালতের রায়ের দিকে তাকিয়ে আছেন।