ঢাকা ০৫:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

সুন্দরবনে বনদস্যু ‘বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী’র ৩ সদস্যের আত্মসমর্পণ, জিম্মি জেলে উদ্ধার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

সুন্দরবনের কুখ্যাত বনদস্যু ‘বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী’র তিন সক্রিয় সদস্য অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। বুধবার বিকেলে বাগেরহাটের শরণখোলা রেঞ্জের কলামুলি খাল এলাকায় কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানের মুখে তাঁরা আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় তাঁদের জিম্মি দশা থেকে এক জেলেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূল এবং বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পরিচালিত ‘অপারেশন রিস্টোর পিস’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’-এর আওতায় এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। আত্মসমর্পণকারী দস্যুরা হলেন— বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার আলামিন হোসেন, সাতক্ষীরার তৈবুর রহমান এবং খুলনার মনিরুজ্জামান মামুন। তাঁরা কোস্ট গার্ডের কাছে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র, ৪০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং একটি ওয়াকিটকি জমা দিয়েছেন।

কোস্ট গার্ডের তথ্যমতে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে ৪৯টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার এবং ৪২ জন বনদস্যুকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া দস্যুদের কবল থেকে এখন পর্যন্ত ৪১ জন জিম্মিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আত্মসমর্পণকারী এই বনদস্যুদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে বলে কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাফটাইম শো-তে বিবার, শাকিরা ও বিটিএস

সুন্দরবনে বনদস্যু ‘বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী’র ৩ সদস্যের আত্মসমর্পণ, জিম্মি জেলে উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৪:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

সুন্দরবনের কুখ্যাত বনদস্যু ‘বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী’র তিন সক্রিয় সদস্য অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। বুধবার বিকেলে বাগেরহাটের শরণখোলা রেঞ্জের কলামুলি খাল এলাকায় কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানের মুখে তাঁরা আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় তাঁদের জিম্মি দশা থেকে এক জেলেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূল এবং বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পরিচালিত ‘অপারেশন রিস্টোর পিস’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’-এর আওতায় এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। আত্মসমর্পণকারী দস্যুরা হলেন— বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার আলামিন হোসেন, সাতক্ষীরার তৈবুর রহমান এবং খুলনার মনিরুজ্জামান মামুন। তাঁরা কোস্ট গার্ডের কাছে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র, ৪০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং একটি ওয়াকিটকি জমা দিয়েছেন।

কোস্ট গার্ডের তথ্যমতে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে ৪৯টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার এবং ৪২ জন বনদস্যুকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া দস্যুদের কবল থেকে এখন পর্যন্ত ৪১ জন জিম্মিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আত্মসমর্পণকারী এই বনদস্যুদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে বলে কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।