ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের ৭ বছরের কারাদণ্ড বহাল রাখল সর্বোচ্চ আদালত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

২০২৪ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় ব্যর্থ সামরিক আইন জারির ঘটনায় সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওনের সাত বছরের কারাদণ্ড বহাল রেখেছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। বৃহস্পতিবার এক চূড়ান্ত রায়ে আদালত নিম্ন আদালতের দেওয়া সাজা বহাল রাখার নির্দেশ দেয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ইউন সামরিক আইন জারির সময় মন্ত্রিসভার স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করেছিলেন এবং প্রধানমন্ত্রীর ভুয়া স্বাক্ষর ব্যবহার করে অবৈধভাবে আদেশ জারি করেছিলেন।

সিউল থেকে প্রাপ্ত সংবাদ সংস্থা এএফপির তথ্য অনুযায়ী, ইউন সুক ইওন বর্তমানে কারাগারে বন্দি রয়েছেন। সামরিক আইন জারির মাধ্যমে বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে একটি পৃথক মামলায় তাঁকে আগেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তবে ইউন তাঁর কর্মকাণ্ডকে জনস্বার্থে নেওয়া পদক্ষেপ হিসেবে দাবি করে ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন। সর্বোচ্চ আদালতের বিচারাধীন মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে ভুয়া নথিপত্র তৈরি, তথ্য গোপন এবং সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের ওপর অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

রাষ্ট্রপক্ষ ইউনের ১০ বছরের কারাদণ্ড দাবি করলেও আদালত সাত বছরের সাজাকেই যুক্তিযুক্ত মনে করেছে। আদালতের বিচারক তাঁর পর্যবেক্ষণে জানান, নিম্ন আদালতের রায়ে কোনো আইনি বিচ্যুতি ছিল না, তাই সব আপিল খারিজ করা হয়েছে। ইউনের আইনজীবীরা এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে একে সাংবিধানিকভাবে চ্যালেঞ্জ করার ঘোষণা দিয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে এই রায়কে একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাফটাইম শো-তে বিবার, শাকিরা ও বিটিএস

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের ৭ বছরের কারাদণ্ড বহাল রাখল সর্বোচ্চ আদালত

আপডেট সময় : ০৪:১৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

২০২৪ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় ব্যর্থ সামরিক আইন জারির ঘটনায় সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওনের সাত বছরের কারাদণ্ড বহাল রেখেছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। বৃহস্পতিবার এক চূড়ান্ত রায়ে আদালত নিম্ন আদালতের দেওয়া সাজা বহাল রাখার নির্দেশ দেয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ইউন সামরিক আইন জারির সময় মন্ত্রিসভার স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করেছিলেন এবং প্রধানমন্ত্রীর ভুয়া স্বাক্ষর ব্যবহার করে অবৈধভাবে আদেশ জারি করেছিলেন।

সিউল থেকে প্রাপ্ত সংবাদ সংস্থা এএফপির তথ্য অনুযায়ী, ইউন সুক ইওন বর্তমানে কারাগারে বন্দি রয়েছেন। সামরিক আইন জারির মাধ্যমে বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে একটি পৃথক মামলায় তাঁকে আগেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তবে ইউন তাঁর কর্মকাণ্ডকে জনস্বার্থে নেওয়া পদক্ষেপ হিসেবে দাবি করে ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন। সর্বোচ্চ আদালতের বিচারাধীন মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে ভুয়া নথিপত্র তৈরি, তথ্য গোপন এবং সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের ওপর অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

রাষ্ট্রপক্ষ ইউনের ১০ বছরের কারাদণ্ড দাবি করলেও আদালত সাত বছরের সাজাকেই যুক্তিযুক্ত মনে করেছে। আদালতের বিচারক তাঁর পর্যবেক্ষণে জানান, নিম্ন আদালতের রায়ে কোনো আইনি বিচ্যুতি ছিল না, তাই সব আপিল খারিজ করা হয়েছে। ইউনের আইনজীবীরা এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে একে সাংবিধানিকভাবে চ্যালেঞ্জ করার ঘোষণা দিয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে এই রায়কে একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে দেখা হচ্ছে।