ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

ঘুষ গ্রহণের দায়ে বেবিচক কর্মকর্তা রাশেদের ৫ বছরের কারাদণ্ড

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে হাতেনাতে গ্রেপ্তার হওয়া বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সাবেক জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর এইচ এম রাশেদ সরকারকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযানে ঘুষের টাকাসহ ধরা পড়ার পর দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এই রায় দেওয়া হলো। রায়ের পর্যবেক্ষণে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার গুরুত্বারোপ করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে একে দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি দৃষ্টান্তমূলক বিচার হিসেবে অভিহিত করেছেন।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এই রায়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তারা দাবি করেছেন যে তাদের মক্কেল ন্যায়বিচার পাননি এবং এই রায়ের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন। বর্তমানে দণ্ডিত ওই কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি নিরস্ত্র না করা পর্যন্ত লেবানন ছাড়বে না ইসরায়েল

ঘুষ গ্রহণের দায়ে বেবিচক কর্মকর্তা রাশেদের ৫ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৩:১১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে হাতেনাতে গ্রেপ্তার হওয়া বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সাবেক জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর এইচ এম রাশেদ সরকারকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযানে ঘুষের টাকাসহ ধরা পড়ার পর দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এই রায় দেওয়া হলো। রায়ের পর্যবেক্ষণে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার গুরুত্বারোপ করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে একে দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি দৃষ্টান্তমূলক বিচার হিসেবে অভিহিত করেছেন।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এই রায়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তারা দাবি করেছেন যে তাদের মক্কেল ন্যায়বিচার পাননি এবং এই রায়ের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন। বর্তমানে দণ্ডিত ওই কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।