যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তিকে কেবল শুল্ক ছাড়ের বিষয় হিসেবে না দেখে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘দ্য বেঙ্গল কাউন্সিল’ তাদের এক সাম্প্রতিক নীতিপত্রে এই পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে। ‘দ্য কটন করিডোর: বাংলাদেশ’স রিসিপ্রোকাল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট উইথ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস অ্যান্ড দ্য পাথ ফরওয়ার্ড’ শীর্ষক এই প্রকাশনায় দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের কৌশলগত গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদিত তুলা ব্যবহার করে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শূন্য শুল্ক সুবিধা কার্যকর করা গেলে বাংলাদেশের জন্য তা বিশ্ববাজারে বড় ধরনের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা তৈরি করবে। তবে এই সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগাতে হলে চুক্তির শর্তাবলি যথাযথভাবে পালন এবং প্রাতিষ্ঠানিক তদারকি নিশ্চিত করা জরুরি। এছাড়া এই চুক্তি ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত ও চীনের মতো অন্যান্য বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রেও নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
চুক্তিটি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আটটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—দ্রুত শুল্কমুক্ত করিডোর চালু করা, সংসদীয় তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করা এবং অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংস্কারে এই চুক্তিকে কাজে লাগানো। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই চুক্তির মাধ্যমে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি এবং সাইবার নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতেও দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।
রিপোর্টারের নাম 






















