ঢাকা ১১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচে ভিএআর সিদ্ধান্ত: সাবেক রেফারি বলছেন ‘সবই সঠিক’

আর্জেন্টিনা ও মিসরের মধ্যকার রোমাঞ্চকর শেষ ষোলোর ম্যাচটি শেষ হলেও এর বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে আলোচনা থামছে না। বিশেষ করে ভিএআরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ঘিরে তৈরি হয়েছে তুমুল বিতর্ক। তবে, সাবেক প্রিমিয়ার লিগ রেফারি অ্যান্ডি ডেভিস এই বিতর্কে রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে এবং ভিএআরের সিদ্ধান্তের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন। ইএসপিএনের নিয়মিত ‘ভিএআর রিভিউ’ বিশ্লেষণে ডেভিস বলেছেন, ম্যাচের তিনটি বড় সিদ্ধান্তই ফুটবল আইন ও ভিএআর প্রোটোকল অনুযায়ী সঠিক ছিল।

প্রথম ঘটনাটি ছিল ম্যাচের ৬২তম মিনিটে মোস্তফা জিকোর একটি গোল বাতিল হওয়া, যা মিসরকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে নিতে পারত। ভিএআরের রিপ্লে দেখে মূল রেফারি গোলটি বাতিল করেন। ডেভিসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আতিয়ার স্পষ্ট ফাউলের কারণে আর্জেন্টিনার আক্রমণ থেমে যায় এবং এর সরাসরি ফলস্বরূপ মিসর গোল করে। এই ধরনের ফাউল একই আক্রমণ পর্বে ঘটলে এবং তা থেকে গোল এলে আইন অনুযায়ী গোল বাতিল করা বাধ্যতামূলক। জার্সি টানা ও পায়ে চাপ দেওয়ার দৃশ্য দেখানো হলে আগের সিদ্ধান্ত বহাল রাখার কোনো সুযোগ থাকে না।

দ্বিতীয় বিতর্কিত ঘটনাটি ঘটে আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের আগে, দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে। মিসরের হামদি ফাথি অভিযোগ করেন যে, আর্জেন্টিনার আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার তার জার্সি টেনে ধরেন, কিন্তু রেফারি খেলা চালিয়ে যেতে বলেন। ভিএআর ঘটনাটি পর্যালোচনা করলেও মাঠের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের মতো পর্যাপ্ত কারণ খুঁজে পায়নি। ডেভিস এটিকে ‘খুবই সামান্য সময়ের জন্য’ জার্সি টানা হিসেবে বর্ণনা করেন, যা ফাথির বলে পৌঁছানোর সক্ষমতায় কোনো উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেনি। তাই এটি পেনাল্টি দেওয়ার মতো ‘ইমপ্যাক্টফুল ফাউল’ ছিল না।

তৃতীয়ত, আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের পর মোহাম্মদ সালাহ অভিযোগ করেন যে, জুলিয়ান আলভারেজ তাকে ফেলে দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তটি রেফারি ও ভিএআরের জন্য এক কঠিন পরীক্ষা ছিল। ডেভিসের মতে, এক্ষেত্রেও রেফারিরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সালাহ এখানে ফাউলের শিকার হননি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের ‘দুঃসাহসিকতার’ দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচে ভিএআর সিদ্ধান্ত: সাবেক রেফারি বলছেন ‘সবই সঠিক’

আপডেট সময় : ১০:৪২:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

আর্জেন্টিনা ও মিসরের মধ্যকার রোমাঞ্চকর শেষ ষোলোর ম্যাচটি শেষ হলেও এর বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে আলোচনা থামছে না। বিশেষ করে ভিএআরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ঘিরে তৈরি হয়েছে তুমুল বিতর্ক। তবে, সাবেক প্রিমিয়ার লিগ রেফারি অ্যান্ডি ডেভিস এই বিতর্কে রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে এবং ভিএআরের সিদ্ধান্তের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন। ইএসপিএনের নিয়মিত ‘ভিএআর রিভিউ’ বিশ্লেষণে ডেভিস বলেছেন, ম্যাচের তিনটি বড় সিদ্ধান্তই ফুটবল আইন ও ভিএআর প্রোটোকল অনুযায়ী সঠিক ছিল।

প্রথম ঘটনাটি ছিল ম্যাচের ৬২তম মিনিটে মোস্তফা জিকোর একটি গোল বাতিল হওয়া, যা মিসরকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে নিতে পারত। ভিএআরের রিপ্লে দেখে মূল রেফারি গোলটি বাতিল করেন। ডেভিসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আতিয়ার স্পষ্ট ফাউলের কারণে আর্জেন্টিনার আক্রমণ থেমে যায় এবং এর সরাসরি ফলস্বরূপ মিসর গোল করে। এই ধরনের ফাউল একই আক্রমণ পর্বে ঘটলে এবং তা থেকে গোল এলে আইন অনুযায়ী গোল বাতিল করা বাধ্যতামূলক। জার্সি টানা ও পায়ে চাপ দেওয়ার দৃশ্য দেখানো হলে আগের সিদ্ধান্ত বহাল রাখার কোনো সুযোগ থাকে না।

দ্বিতীয় বিতর্কিত ঘটনাটি ঘটে আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের আগে, দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে। মিসরের হামদি ফাথি অভিযোগ করেন যে, আর্জেন্টিনার আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার তার জার্সি টেনে ধরেন, কিন্তু রেফারি খেলা চালিয়ে যেতে বলেন। ভিএআর ঘটনাটি পর্যালোচনা করলেও মাঠের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের মতো পর্যাপ্ত কারণ খুঁজে পায়নি। ডেভিস এটিকে ‘খুবই সামান্য সময়ের জন্য’ জার্সি টানা হিসেবে বর্ণনা করেন, যা ফাথির বলে পৌঁছানোর সক্ষমতায় কোনো উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেনি। তাই এটি পেনাল্টি দেওয়ার মতো ‘ইমপ্যাক্টফুল ফাউল’ ছিল না।

তৃতীয়ত, আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের পর মোহাম্মদ সালাহ অভিযোগ করেন যে, জুলিয়ান আলভারেজ তাকে ফেলে দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তটি রেফারি ও ভিএআরের জন্য এক কঠিন পরীক্ষা ছিল। ডেভিসের মতে, এক্ষেত্রেও রেফারিরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সালাহ এখানে ফাউলের শিকার হননি।