ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে বেবিচকের প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে চাকরি নেওয়া, পদোন্নতি এবং আর্থিক লেনদেনসহ বিভিন্ন অভিযোগে ত্রিমুখী তদন্তের মুখে পড়া বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামকে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) জারিকৃত এক আদেশে তাকে বদলি করা হয়। সহকারী পরিচালক প্রশাসন তিরান আহমেদ এই বদলির আদেশে স্বাক্ষর করেন। তাকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী থেকে এরাড্রোম স্ট্যান্ডার্ড এফএস এ্যান্ড আর বিভাগের পরিচালক হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

বেবিচকের সদস্য (প্রশাসন) এস এম লাবলুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামের চাকরি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি তার মুক্তিযোদ্ধা পিতার সার্টিফিকেট নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং এ বিষয়ে বেবিচকসহ গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা তদন্ত শুরু করে। বিভিন্ন গণমাধ্যমেও এ সংক্রান্ত বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

আরও জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বেবিচকের নিজস্ব কর্মী ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা আন্দোলন শুরু করেন। ওই আন্দোলনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে কিছু কর্মকর্তার প্রত্যাহার দাবি করা হয়, যার মধ্যে শরিফুল ইসলাম অন্যতম ছিলেন। পরবর্তীতে গোয়েন্দা প্রতিবেদনেও তাকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি মামলাও চলমান রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনার ঐতিহাসিক জয়ে পূর্ণিমার বাঁধভাঙা উল্লাস: ‘মেসি ও তার যোদ্ধারা চ্যাম্পিয়নদের হৃদস্পন্দন দেখিয়েছেন’

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে বেবিচকের প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ

আপডেট সময় : ০৫:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে চাকরি নেওয়া, পদোন্নতি এবং আর্থিক লেনদেনসহ বিভিন্ন অভিযোগে ত্রিমুখী তদন্তের মুখে পড়া বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামকে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) জারিকৃত এক আদেশে তাকে বদলি করা হয়। সহকারী পরিচালক প্রশাসন তিরান আহমেদ এই বদলির আদেশে স্বাক্ষর করেন। তাকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী থেকে এরাড্রোম স্ট্যান্ডার্ড এফএস এ্যান্ড আর বিভাগের পরিচালক হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

বেবিচকের সদস্য (প্রশাসন) এস এম লাবলুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামের চাকরি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি তার মুক্তিযোদ্ধা পিতার সার্টিফিকেট নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং এ বিষয়ে বেবিচকসহ গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা তদন্ত শুরু করে। বিভিন্ন গণমাধ্যমেও এ সংক্রান্ত বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

আরও জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বেবিচকের নিজস্ব কর্মী ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা আন্দোলন শুরু করেন। ওই আন্দোলনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে কিছু কর্মকর্তার প্রত্যাহার দাবি করা হয়, যার মধ্যে শরিফুল ইসলাম অন্যতম ছিলেন। পরবর্তীতে গোয়েন্দা প্রতিবেদনেও তাকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি মামলাও চলমান রয়েছে।