ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

‘আওয়ামী লীগের কোনো সংগঠনকে দেশে কাজ করতে দেওয়া হবে না’: ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম

ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং গত ডাকসু নির্বাচনে ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান বলেছেন, “বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করা তো দূরের কথা, দলটির একটি অঙ্গ সংগঠনকেও দেশের মাটিতে কাজ করতে দেওয়া হবে না। এটাই আমাদের শেষ কথা।”

সোমবার রাতে আবিদুল ইসলামের ফেসবুকে আপলোড করা একটি ভিডিওতে তাকে এ কথা বলতে শোনা যায়। তিনি স্বৈরাচারের প্রতিটি অঙ্গ এবং প্রতিটি ব্যক্তিকে উদ্দেশ করে বলেন, “আপনারা যে গণহত্যা চালিয়েছেন, তার জন্য অনুতপ্ত হয়ে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিচারের মুখোমুখি হোন।”

আবিদুল ইসলাম তার বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন, “আমি ভিসি চত্বরে রক্ত দেখেছি, বোনদের আহত হতে দেখেছি। একই সাথে বাড্ডাতে আমি জিল্লুরের রক্তাক্ত লাশ দেখেছি। সেই লাশকে সাক্ষী রেখেই হাসিনা পতনের স্লোগান তুলেছিলাম।”

তিনি বলেন, “২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আমি ছোট্ট আনাসের লাশ দেখেছি। সুতরাং আমি লাশ দেখে অভ্যস্ত। আমি রক্ত দেখেছি, সংগ্রাম দেখেছি। আমি যে বেঁচে আছি, সেটা আমার জন্য বোনাস মনে করি।”

তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “জুলাই মানে ১৭ বছরের আপসহীন সংগ্রাম। এই সংগ্রামকে জীবিত রাখার জন্য শত অনৈক্যের মধ্যেও ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করে যাব।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাভারে এনসিপির সমাবেশে বোমা হামলা: যুবলীগের দুই নেতা ২ দিনের রিমান্ডে

‘আওয়ামী লীগের কোনো সংগঠনকে দেশে কাজ করতে দেওয়া হবে না’: ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম

আপডেট সময় : ০৬:৪৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং গত ডাকসু নির্বাচনে ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান বলেছেন, “বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করা তো দূরের কথা, দলটির একটি অঙ্গ সংগঠনকেও দেশের মাটিতে কাজ করতে দেওয়া হবে না। এটাই আমাদের শেষ কথা।”

সোমবার রাতে আবিদুল ইসলামের ফেসবুকে আপলোড করা একটি ভিডিওতে তাকে এ কথা বলতে শোনা যায়। তিনি স্বৈরাচারের প্রতিটি অঙ্গ এবং প্রতিটি ব্যক্তিকে উদ্দেশ করে বলেন, “আপনারা যে গণহত্যা চালিয়েছেন, তার জন্য অনুতপ্ত হয়ে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিচারের মুখোমুখি হোন।”

আবিদুল ইসলাম তার বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন, “আমি ভিসি চত্বরে রক্ত দেখেছি, বোনদের আহত হতে দেখেছি। একই সাথে বাড্ডাতে আমি জিল্লুরের রক্তাক্ত লাশ দেখেছি। সেই লাশকে সাক্ষী রেখেই হাসিনা পতনের স্লোগান তুলেছিলাম।”

তিনি বলেন, “২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আমি ছোট্ট আনাসের লাশ দেখেছি। সুতরাং আমি লাশ দেখে অভ্যস্ত। আমি রক্ত দেখেছি, সংগ্রাম দেখেছি। আমি যে বেঁচে আছি, সেটা আমার জন্য বোনাস মনে করি।”

তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “জুলাই মানে ১৭ বছরের আপসহীন সংগ্রাম। এই সংগ্রামকে জীবিত রাখার জন্য শত অনৈক্যের মধ্যেও ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করে যাব।”