ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

‘প্রয়োজন ছাড়া ইরানের সাথে যুদ্ধে যাবে না যুক্তরাষ্ট্র’: জেডি ভ্যান্স

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৯:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

সুস্পষ্ট লক্ষ্য এবং একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে কোনো নতুন সামরিক অভিযানে জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বুধবার সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এই কড়া বার্তা দেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট অত্যন্ত বাধ্য না হলে দেশের সামরিক বাহিনীকে পুনরায় সেখানে পাঠানোর পক্ষপাতী নন। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বা বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার মতো ঘটনা ঘটলে ওয়াশিংটন তার অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।

বর্তমানে মার্কিন প্রশাসন ইরানের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে। গত জুনে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য ছিল সামরিক সংঘাত স্থায়ীভাবে বন্ধ করা এবং ইরানের ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার করা। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতেও দুই পক্ষ কাজ করছে।

এদিকে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই নমনীয় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি প্রশমনে ভূমিকা রাখতে পারে। বর্তমানে একটি চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে পর্দার আড়ালে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নিখোঁজ বিকাশ ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার, পরিকল্পিত হত্যার সন্দেহ

‘প্রয়োজন ছাড়া ইরানের সাথে যুদ্ধে যাবে না যুক্তরাষ্ট্র’: জেডি ভ্যান্স

আপডেট সময় : ১২:৪৯:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

সুস্পষ্ট লক্ষ্য এবং একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে কোনো নতুন সামরিক অভিযানে জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বুধবার সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এই কড়া বার্তা দেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট অত্যন্ত বাধ্য না হলে দেশের সামরিক বাহিনীকে পুনরায় সেখানে পাঠানোর পক্ষপাতী নন। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বা বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার মতো ঘটনা ঘটলে ওয়াশিংটন তার অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।

বর্তমানে মার্কিন প্রশাসন ইরানের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে। গত জুনে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য ছিল সামরিক সংঘাত স্থায়ীভাবে বন্ধ করা এবং ইরানের ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার করা। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতেও দুই পক্ষ কাজ করছে।

এদিকে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই নমনীয় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি প্রশমনে ভূমিকা রাখতে পারে। বর্তমানে একটি চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে পর্দার আড়ালে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।