অধ্যাপক মাহমুদা বেগম ছিলেন এক মহীয়সী নারী এবং আদর্শ জননী। তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাকে নিয়ে লিখতে গিয়ে বার বার তার সেই স্নেহমাখা মুখটি মনে পড়ছে, যা কঠিন সংকটেও কখনো বিচলিত হতো না। তিনি ছিলেন এমন এক বিদুষী, যিনি তার সন্তানদের দেশপ্রেম ও সততার আদর্শে গড়ে তুলেছেন।
২০১০ সালে যখন একটি সংবাদপত্রের কার্যালয় থেকে সম্পাদককে গ্রেপ্তার করা হয়, তখন থেকেই তার সঙ্গে আমার নিবিড় পরিচয়। সেই উত্তাল সময়ে গুলশানের বাসায় গিয়ে তাকে দেখেছি সন্তানের জন্য উদ্বিগ্ন কিন্তু আদর্শের প্রশ্নে আপসহীন এক মাকে। তিনি শুধু তার পরিবারকেই নয়, আমাদের মতো সংবাদকর্মীদেরও সত্যের পথে অবিচল থাকতে প্রতিনিয়ত অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন।
কারাগারে যাওয়ার আগে বা রিমান্ডের কঠিন সময়ে তার সেই শান্ত অথচ দৃঢ় অবস্থান আমাদের সাহস দিত। আজ তার অনুপস্থিতিতে তার সেই আদর্শ ও স্মৃতিগুলোই আমাদের পাথেয়। দেশপ্রেমিক ও সাহসী সন্তান গড়ার কারিগর হিসেবে অধ্যাপক মাহমুদা বেগম চিরকাল শ্রদ্ধার সাথে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
রিপোর্টারের নাম 

























