ঢাকা ০২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান তৈরিতে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্ব অপরিসীম। স্বাধীনতার পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে দেশের পররাষ্ট্রনীতি নানা চড়াই-উতরাই পার করেছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সুসংহত করতে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও প্রভাবমুক্ত কূটনৈতিক অবস্থান সবসময়ই কাম্য ছিল। বর্তমানে বিশ্ব রাজনীতির মেরুকরণ ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্বের কারণে বাংলাদেশের প্রতি পরাশক্তিগুলোর আগ্রহ বহুগুণ বেড়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে মালয়েশিয়া ও চীনের মতো দেশগুলোর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে সম্পাদিত বিভিন্ন সমঝোতা স্মারক ও যৌথ ইশতেহার বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আধিপত্যমুক্ত ও জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে গৃহীত যেকোনো পদক্ষেপই দেশের দীর্ঘমেয়াদী কল্যাণ বয়ে আনবে। বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হলে নিজস্ব শক্তিতে বলীয়ান হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সামনে সুযোগ এসেছে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন কূটনৈতিক ভিত্তি স্থাপন করার।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নিয়ে আল্টিমেটাম: ৫ আগস্টের মধ্যে না খুললে জনগণই খুলে দেবে

বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

আপডেট সময় : ১২:৪৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান তৈরিতে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্ব অপরিসীম। স্বাধীনতার পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে দেশের পররাষ্ট্রনীতি নানা চড়াই-উতরাই পার করেছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সুসংহত করতে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও প্রভাবমুক্ত কূটনৈতিক অবস্থান সবসময়ই কাম্য ছিল। বর্তমানে বিশ্ব রাজনীতির মেরুকরণ ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্বের কারণে বাংলাদেশের প্রতি পরাশক্তিগুলোর আগ্রহ বহুগুণ বেড়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে মালয়েশিয়া ও চীনের মতো দেশগুলোর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে সম্পাদিত বিভিন্ন সমঝোতা স্মারক ও যৌথ ইশতেহার বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আধিপত্যমুক্ত ও জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে গৃহীত যেকোনো পদক্ষেপই দেশের দীর্ঘমেয়াদী কল্যাণ বয়ে আনবে। বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হলে নিজস্ব শক্তিতে বলীয়ান হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সামনে সুযোগ এসেছে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন কূটনৈতিক ভিত্তি স্থাপন করার।