খাগড়াছড়িতে পর্যটন মৌসুম শুরু হলেও এবার পর্যটকের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় কম দেখা যাচ্ছে। সাধারণত অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়টি পর্যটনের জন্য সবচেয়ে ব্যস্ত মৌসুম হলেও এ বছর মৌসুমের শুরুতেই প্রত্যাশিত ভিড় নেই জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে।
আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র, রিছাং ঝরনা, হর্টিকালচার পার্কসহ খাগড়াছড়ির পরিচিত স্পটগুলোতে অন্যান্য মৌসুমের তুলনায় দর্শনার্থী কম থাকায় উদ্বিগ্ন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। হোটেল, মোটেল ও রেস্টুরেন্ট-নির্ভর ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, এই অবস্থা চলতে থাকলে বড় ধরনের ক্ষতির মুখোমুখি হতে হবে তাদের।
সাজেক রুটের পরিবহনকর্মীদের ভাষ্যমতে, মৌসুমে প্রতিদিন সাধারণত ৫০টির বেশি গাড়ি যাতায়াত করলেও এবার সেই সংখ্যা অনেক কমে গেছে। গত বৃহস্পতিবার মাত্র ১২টি গাড়ি সাজেকে গেছে। প্রায় তিন শতাধিক গাড়ি থাকার পরও চালকদের অধিকাংশই বেকার সময় কাটাচ্ছেন।
হোটেলগুলোও একই পরিস্থিতির মুখে। খাগড়াছড়ি শহরের বিভিন্ন হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এ সময় যেখানে বহু রুম বুকিং থাকার কথা, এবার সেখানে প্রতিদিন মাত্র কয়েকটি রুম ভাড়া হচ্ছে, যা দিয়ে হোটেলের দৈনন্দিন খরচও তুলতে পারছেন না। অনেক পর্যটক সাজেকে রাত যাপন করেন এবং ফেরার পথে আলুটিলা বা হর্টিকালচার পার্ক ঘুরে একই রাতে ফিরে যাওয়ায় খাগড়াছড়ি শহরে পর্যটকের অবস্থান কমে গেছে। তাদের মতে, পর্যটক ধরে রাখতে নতুন স্পট তৈরি জরুরি।
আলুটিলা টিকিট কাউন্টারের কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, সরকারি ছুটির দিন ছাড়া পর্যটক প্রায় নেই বললেই চলে। তবে তারা আশা করছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা শেষ হলে পরিস্থিতি কিছুটা বদলাতে পারে।
খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল জানান, পাহাড় ভ্রমণের উপযুক্ত সময় চলছে এবং পর্যটকদের নিরাপত্তায় পুলিশ, সেনাবাহিনী ও ট্যুরিস্ট পুলিশ নিয়মিত কাজ করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পরীক্ষার মৌসুম শেষ হলে পর্যটকের সংখ্যা আবার বাড়বে।
রিপোর্টারের নাম 

























