ঢাকা ০২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার নেপথ্যে যেসব কারণ: প্রতিকারের উপায় ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

দৈনন্দিন জীবনের ছোটখাটো বিষয় বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভুলে যাওয়ার প্রবণতা এখন অনেকের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল বার্ধক্য নয়, বরং অনিয়মিত জীবনযাপন এবং পুষ্টির অভাবও স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার প্রধান কারণ হতে পারে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই সমস্যা প্রকট হচ্ছে, যার পেছনে অতিরিক্ত মানসিক চাপ, অনিদ্রা ও অপর্যাপ্ত পানি পানকে দায়ী করা হচ্ছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, পানিশূন্যতা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা হ্রাসের অন্যতম বড় কারণ। শরীরের ওজনের মাত্র ২ শতাংশ পানি কমে গেলেই মস্তিষ্কের নিউরনগুলো তথ্য আদান-প্রদানে ধীর হয়ে যায়। এর ফলে মনোযোগের অভাব এবং সিদ্ধান্তহীনতা তৈরি হয়। এছাড়া ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতিও স্মৃতিশক্তি দুর্বল করার জন্য দায়ী। নিয়মিত সুষম খাবার এবং পর্যাপ্ত পানি পান এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে।

স্মৃতিশক্তি প্রখর রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। ঘুমের সময় মস্তিষ্ক নতুন তথ্যগুলো সংরক্ষণ করে, যা দীর্ঘমেয়াদে মনে রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি মাথার কোনো পুরোনো আঘাত বা থাইরয়েডের সমস্যা থাকলেও স্মৃতিভ্রম হতে পারে। তাই নিয়মিত শরীরচর্চা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাঁশখালীতে ৩১ কোটি টাকা আত্মসাৎ: ৭৩ বিনিয়োগকারীর অভিযোগে লাপাত্তা ওয়াহিদুল

স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার নেপথ্যে যেসব কারণ: প্রতিকারের উপায় ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

আপডেট সময় : ১২:৩০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

দৈনন্দিন জীবনের ছোটখাটো বিষয় বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভুলে যাওয়ার প্রবণতা এখন অনেকের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল বার্ধক্য নয়, বরং অনিয়মিত জীবনযাপন এবং পুষ্টির অভাবও স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার প্রধান কারণ হতে পারে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই সমস্যা প্রকট হচ্ছে, যার পেছনে অতিরিক্ত মানসিক চাপ, অনিদ্রা ও অপর্যাপ্ত পানি পানকে দায়ী করা হচ্ছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, পানিশূন্যতা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা হ্রাসের অন্যতম বড় কারণ। শরীরের ওজনের মাত্র ২ শতাংশ পানি কমে গেলেই মস্তিষ্কের নিউরনগুলো তথ্য আদান-প্রদানে ধীর হয়ে যায়। এর ফলে মনোযোগের অভাব এবং সিদ্ধান্তহীনতা তৈরি হয়। এছাড়া ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতিও স্মৃতিশক্তি দুর্বল করার জন্য দায়ী। নিয়মিত সুষম খাবার এবং পর্যাপ্ত পানি পান এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে।

স্মৃতিশক্তি প্রখর রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। ঘুমের সময় মস্তিষ্ক নতুন তথ্যগুলো সংরক্ষণ করে, যা দীর্ঘমেয়াদে মনে রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি মাথার কোনো পুরোনো আঘাত বা থাইরয়েডের সমস্যা থাকলেও স্মৃতিভ্রম হতে পারে। তাই নিয়মিত শরীরচর্চা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।