ঢাকা ১২:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

উত্তরাঞ্চলে বন্যার পদধ্বনি: তিস্তা ও দুধকুমারের পানি বিপৎসীমার উপরে, পানিবন্দি হাজারো মানুষ

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে দেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটসহ বিভিন্ন জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। ঘরবাড়িতে পানি উঠে আসায় গবাদিপশু ও শিশুদের নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন দুর্গত এলাকার বাসিন্দারা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ ও আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার কথা জানানো হয়েছে।

লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর পানি বাড়ায় চরাঞ্চলের শত শত একর ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। ভারত থেকে আসা পানির চাপে তিস্তা অববাহিকায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এদিকে কুড়িগ্রামে দুধকুমার নদের পানি ভুরুঙ্গামারীর পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র ও ধরলাসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানিও দ্রুত বাড়ছে। হঠাৎ আসা এই বন্যায় পাট, ভুট্টা ও শাকসবজির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। অনেক জায়গায় নতুন করে নদীভাঙন দেখা দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের ঘামঝরানো জয়: জয়ের রহস্য জানালেন কাসেমিরো

উত্তরাঞ্চলে বন্যার পদধ্বনি: তিস্তা ও দুধকুমারের পানি বিপৎসীমার উপরে, পানিবন্দি হাজারো মানুষ

আপডেট সময় : ১০:১৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে দেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটসহ বিভিন্ন জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। ঘরবাড়িতে পানি উঠে আসায় গবাদিপশু ও শিশুদের নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন দুর্গত এলাকার বাসিন্দারা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ ও আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার কথা জানানো হয়েছে।

লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর পানি বাড়ায় চরাঞ্চলের শত শত একর ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। ভারত থেকে আসা পানির চাপে তিস্তা অববাহিকায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এদিকে কুড়িগ্রামে দুধকুমার নদের পানি ভুরুঙ্গামারীর পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র ও ধরলাসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানিও দ্রুত বাড়ছে। হঠাৎ আসা এই বন্যায় পাট, ভুট্টা ও শাকসবজির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। অনেক জায়গায় নতুন করে নদীভাঙন দেখা দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।