ঢাকা ১২:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

উত্তরের নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি: ভাঙন আতঙ্কে গাইবান্ধার কয়েকশ পরিবার

টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা ও করতোয়া নদীর পানি হু হু করে বাড়ছে। বিশেষ করে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করায় জেলার সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার চরাঞ্চল ও তীরবর্তী এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নদীপাড়ের কয়েক হাজার মানুষ ও কৃষক।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীভাঙন রোধে সাঘাটায় যমুনা নদীর তীর রক্ষায় গৃহীত ১০১ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ সময়মতো শেষ না হওয়ায় এই বিপর্যয় নেমে এসেছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ধীরগতি এবং নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের কারণে প্রকল্পের সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। মুন্সিরহাট বাজার, স্কুল ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ বিস্তীর্ণ জনপদ এখন নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, যমুনা নদীর ডান তীর রক্ষায় চারটি প্যাকেজে প্রায় ১০০ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল। তবে মাঠপর্যায়ে নিম্নমানের জিও ব্যাগ ও সিসি ব্লক ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে পারে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও আবাদি জমি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের ঘামঝরানো জয়: জয়ের রহস্য জানালেন কাসেমিরো

উত্তরের নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি: ভাঙন আতঙ্কে গাইবান্ধার কয়েকশ পরিবার

আপডেট সময় : ১০:১২:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা ও করতোয়া নদীর পানি হু হু করে বাড়ছে। বিশেষ করে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করায় জেলার সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার চরাঞ্চল ও তীরবর্তী এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নদীপাড়ের কয়েক হাজার মানুষ ও কৃষক।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীভাঙন রোধে সাঘাটায় যমুনা নদীর তীর রক্ষায় গৃহীত ১০১ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ সময়মতো শেষ না হওয়ায় এই বিপর্যয় নেমে এসেছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ধীরগতি এবং নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের কারণে প্রকল্পের সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। মুন্সিরহাট বাজার, স্কুল ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ বিস্তীর্ণ জনপদ এখন নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, যমুনা নদীর ডান তীর রক্ষায় চারটি প্যাকেজে প্রায় ১০০ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল। তবে মাঠপর্যায়ে নিম্নমানের জিও ব্যাগ ও সিসি ব্লক ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে পারে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও আবাদি জমি।