ঢাকা ১১:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

ছাত্রদলের নতুন কমিটি: বয়সের বিতর্ক ছাপিয়ে কার হাতে যাচ্ছে নেতৃত্ব?

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমানের সবুজ সংকেতের ওপরই নির্ভর করছে আগামীর নেতৃত্ব। তবে কমিটি ঘোষণার প্রাক্কালে বরাবরের মতোই আলোচনায় উঠে এসেছে শীর্ষ নেতাদের বয়সের বিষয়টি। নিয়মিত ছাত্রদের বাদ দিয়ে অধিক বয়স্কদের দিয়ে কমিটি গঠনের যে সংস্কৃতি দীর্ঘকাল ধরে চলে আসছে, তা নিয়ে খোদ সংগঠনের ভেতরেই তৈরি হয়েছে নানা বিতর্ক ও সমালোচনা।

দলীয় সূত্রমতে, ছাত্রদলের খসড়া গঠনতন্ত্রে বয়সের কোনো নির্দিষ্ট সীমারেখা উল্লেখ না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে ৩২ থেকে ৩৫ বছর পার হওয়া নেতারাও শীর্ষ পদের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নেতৃত্বের এই বিশাল বয়সের ব্যবধান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে নানা ট্রল ও নেতিবাচক আলোচনা। বিশেষ করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষেত্রে নেতৃত্বের এই বার্ধক্যকে সাংগঠনিক দুর্বলতা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ।

বিগত বছরগুলোতে ছাত্রদলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে অন্যান্য ছাত্রসংগঠনের নেতাদের বয়সের বাকযুদ্ধ এবং গণমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিবেদনে এই ইস্যুটি বারবার সামনে এসেছে। বর্তমান পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তরুণ ও নিয়মিত ছাত্রদের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার দাবি জোরালো হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘদিনের এই বয়সের বিতর্ক পাশ কাটিয়ে হাইকমান্ড কোনো সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন চমক দেয় কি না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপ ২০২৬: আর্জেন্টিনার ফাইনালের পথ কি সহজ? সেমিফাইনালই মূল অগ্নিপরীক্ষা

ছাত্রদলের নতুন কমিটি: বয়সের বিতর্ক ছাপিয়ে কার হাতে যাচ্ছে নেতৃত্ব?

আপডেট সময় : ০৯:০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমানের সবুজ সংকেতের ওপরই নির্ভর করছে আগামীর নেতৃত্ব। তবে কমিটি ঘোষণার প্রাক্কালে বরাবরের মতোই আলোচনায় উঠে এসেছে শীর্ষ নেতাদের বয়সের বিষয়টি। নিয়মিত ছাত্রদের বাদ দিয়ে অধিক বয়স্কদের দিয়ে কমিটি গঠনের যে সংস্কৃতি দীর্ঘকাল ধরে চলে আসছে, তা নিয়ে খোদ সংগঠনের ভেতরেই তৈরি হয়েছে নানা বিতর্ক ও সমালোচনা।

দলীয় সূত্রমতে, ছাত্রদলের খসড়া গঠনতন্ত্রে বয়সের কোনো নির্দিষ্ট সীমারেখা উল্লেখ না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে ৩২ থেকে ৩৫ বছর পার হওয়া নেতারাও শীর্ষ পদের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নেতৃত্বের এই বিশাল বয়সের ব্যবধান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে নানা ট্রল ও নেতিবাচক আলোচনা। বিশেষ করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষেত্রে নেতৃত্বের এই বার্ধক্যকে সাংগঠনিক দুর্বলতা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ।

বিগত বছরগুলোতে ছাত্রদলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে অন্যান্য ছাত্রসংগঠনের নেতাদের বয়সের বাকযুদ্ধ এবং গণমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিবেদনে এই ইস্যুটি বারবার সামনে এসেছে। বর্তমান পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তরুণ ও নিয়মিত ছাত্রদের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার দাবি জোরালো হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘদিনের এই বয়সের বিতর্ক পাশ কাটিয়ে হাইকমান্ড কোনো সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন চমক দেয় কি না।