ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আরমান সগর্বে ঘোষণা করেছেন যে, তার সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো তিনি গুম থেকে ফিরে আসা একজন ভুক্তভোগী। তিনি বলেন, যতদিন বেঁচে থাকবেন এবং কথা বলার সুযোগ পাবেন, ততদিন এই পরিচয় দিয়ে যাবেন এবং নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এই নির্মম ভাগ্যের মুখোমুখি হতে না হয়।
শুক্রবার (তারিখ উল্লেখ নেই) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে গুমের শিকার স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত ‘ইন্টারন্যাশনাল ডে ইন সাপোর্ট অব ভিকটিমস অব টর্চারস ২০২৬’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার আরমান দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, এই বাংলার মাটিতে আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তিকে ফিরে আসতে দেওয়া হবে না। আমরা বলতে চাই, ‘জান দিবো কিন্তু জুলাই দিবো না’।
আলোচনা সভায় ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাশেম বলেন, গুমের শিকার হওয়া পরিবারগুলো বছরের পর বছর ধরে এই কষ্ট বয়ে বেড়াচ্ছে। এখন সময় এসেছে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার। তিনি উল্লেখ করেন, প্রিয়জন হারানোর শূন্যতা কোনো ক্ষতিপূরণ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়, তবে রাষ্ট্রকে এই পরিবারগুলোর অর্থনৈতিক দায়িত্ব নিতে হবে, যাতে তারা অন্যের মুখাপেক্ষী না হন।
তিনি ‘জুলাই জাদুঘর’ প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ফ্যাসিবাদী নির্মমতার ইতিহাস এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পাঠশালা হিসেবে এই জাদুঘর কাজ করবে। এটি তরুণ প্রজন্মকে ফ্যাসিবাদের স্বরূপ চিনতে শেখাবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন কালো অধ্যায়ের সূচনা হলে তারা শুরুতেই তা রুখে দিতে পারে।
মীর আহমদ বিন কাশেম আরও বলেন, ঢাকার বাইরে প্রত্যন্ত অঞ্চলে অনেক ভুক্তভোগী পরিবার চরম অর্থকষ্টে দিনাতিপাত করছে, যাদের ঢাকায় এসে কথা বলার সামর্থ্যও নেই। তিনি সরকারের প্রতি অবিলম্বে তাদের লক্ষ্য করে এককালীন বা মাসিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা দেওয়ার জোর দাবি জানান।
রিপোর্টারের নাম 























