কুমিল্লা বিসিক শিল্প নগরীর মর্ডান ড্রাগ নামক একটি কারখানায় জেলা প্রশাসনের অভিযানে অনুমোদনহীন ২১ প্রকার ওষুধ জব্দ করা হয়েছে। কুমিল্লা জেলা এনএসআই (জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা) এর তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইয়াজ খান।
অভিযানে মর্ডান ড্রাগ কারখানা থেকে অনুমোদন বিহীন ২১ প্রকারের ওষুধ ছাড়াও ওষুধ তৈরির বিভিন্ন কাঁচামাল ও সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইয়াজ খান জানান, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক জুবায়ের ইসলাম শুধুমাত্র দুটি ওষুধ তৈরির অনুমতি নিয়ে ২১টির অধিক ওষুধ তৈরি করে বাজারজাত করে আসছিলেন। তিনি কোনো প্রকার টেকনিশিয়ান ছাড়াই নিজেই এই ওষুধ তৈরি করতেন এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে ডিলারের মাধ্যমে সেগুলো বিক্রি করা হতো। এই ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।
অভিযানে থাকা কুমিল্লা ঔষধ প্রশাসনের অফিস সহকারী শাহ আলম সরকার বলেন, জব্দ করা ২১ প্রকারের ওষুধের মধ্যে কোনোটিরই অনুমোদনের কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। এখানে কয়েকটি বিদেশি ওষুধও তৈরি করা হতো। তৈরিকৃত ওষুধগুলোর মধ্যে শিশুদের জন্য তৈরি ওষুধগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর বলে তিনি জানান। বিষয়টি স্বীকার করে কারখানাটির মালিক জুবায়ের ইসলাম বলেন, কয়েকটি ওষুধ তৈরির অনুমতি থাকলেও ১৫টি ওষুধ তৈরীর অনুমতি তার নেই।
অভিযানে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা হাসান মাহমুদ, এনএসআইয়ের কর্মকর্তা এবং জেলা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 























