ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

পাবনার উন্নয়নে ১৮০০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প: যোগাযোগ ও নাগরিক সুবিধার আমূল পরিবর্তনের আশা

পাবনা জেলার গ্রামীণ ও পৌর অবকাঠামোতে আমূল পরিবর্তন আনতে সরকার প্রায় এক হাজার ৮০০ কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এই প্রকল্পের মাধ্যমে জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা, বাজার অবকাঠামো, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধা উন্নত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

‘পাবনা জেলা গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’ নামে প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বর্তমানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার, প্রয়োজনীয় সেতু-কালভার্ট নির্মাণ, আধুনিক বাজার ও ঘাটলা স্থাপন, রেল ক্রসিং নির্মাণ এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এছাড়াও, পাবনা শহরের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পৌর এলাকার সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নের জন্য এলজিইডির অধীনে একটি পৃথক প্রকল্প গ্রহণের কাজ চলছে। পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের নিরলস প্রচেষ্টায় এই মেগা উদ্যোগ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে।

জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল ইসলাম বিশু এই প্রকল্পকে পাবনার উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, গ্রামীণ যোগাযোগ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করবে।

পাবনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার জানান, গ্রামীণ অবকাঠামো ও হাট-বাজারের উন্নয়ন ব্যবসার পরিধি বাড়াবে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে কৃষিপণ্য ও মালামাল সহজে ও কম খরচে সদরে আনা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন পৌরবাসীর জলাবদ্ধতার কষ্ট দূর করবে। ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম যোগ করেন যে, পাবনা দীর্ঘদিন অবহেলিত থাকলেও এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে গ্রামীণ রাস্তাঘাট ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ হবে এবং কৃষকরা তাদের ফসলের ন্যায্যমূল্য পাবেন।

পাবনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম প্রকল্পের কারিগরি অগ্রগতির বিষয়ে জানান যে, জেলার গ্রামীণ ও পৌর অবকাঠামোর টেকসই রূপান্তরের জন্য এই দুটি প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ হকির কিংবদন্তি আব্দুস সাদেক আর নেই, ক্রীড়াঙ্গনে শোকের ছায়া

পাবনার উন্নয়নে ১৮০০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প: যোগাযোগ ও নাগরিক সুবিধার আমূল পরিবর্তনের আশা

আপডেট সময় : ০১:৪৬:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

পাবনা জেলার গ্রামীণ ও পৌর অবকাঠামোতে আমূল পরিবর্তন আনতে সরকার প্রায় এক হাজার ৮০০ কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এই প্রকল্পের মাধ্যমে জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা, বাজার অবকাঠামো, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধা উন্নত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

‘পাবনা জেলা গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’ নামে প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বর্তমানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার, প্রয়োজনীয় সেতু-কালভার্ট নির্মাণ, আধুনিক বাজার ও ঘাটলা স্থাপন, রেল ক্রসিং নির্মাণ এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এছাড়াও, পাবনা শহরের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পৌর এলাকার সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নের জন্য এলজিইডির অধীনে একটি পৃথক প্রকল্প গ্রহণের কাজ চলছে। পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের নিরলস প্রচেষ্টায় এই মেগা উদ্যোগ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে।

জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল ইসলাম বিশু এই প্রকল্পকে পাবনার উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, গ্রামীণ যোগাযোগ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করবে।

পাবনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার জানান, গ্রামীণ অবকাঠামো ও হাট-বাজারের উন্নয়ন ব্যবসার পরিধি বাড়াবে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে কৃষিপণ্য ও মালামাল সহজে ও কম খরচে সদরে আনা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন পৌরবাসীর জলাবদ্ধতার কষ্ট দূর করবে। ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম যোগ করেন যে, পাবনা দীর্ঘদিন অবহেলিত থাকলেও এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে গ্রামীণ রাস্তাঘাট ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ হবে এবং কৃষকরা তাদের ফসলের ন্যায্যমূল্য পাবেন।

পাবনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম প্রকল্পের কারিগরি অগ্রগতির বিষয়ে জানান যে, জেলার গ্রামীণ ও পৌর অবকাঠামোর টেকসই রূপান্তরের জন্য এই দুটি প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।