ঢাকা ০৮:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণে তিস্তায় আরেকটি ব্যারেজ: প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা

তিস্তা নদীতে শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণের জন্য আরও একটি ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। জাতীয় সংসদকে এই তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা। তিনি উল্লেখ করেন, এই নতুন ব্যারেজ নির্মাণের কারিগরি ও আর্থিক বিষয়সমূহ বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

সংসদে এক সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, তিস্তা নদীকেন্দ্রিক একটি টেকসই ও সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ইতোমধ্যেই একটি সমীক্ষা কার্যক্রম শেষ হয়েছে। এই সমীক্ষা প্রতিবেদনে ১১০ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ, একই দৈর্ঘ্যের নদী ড্রেজিং, ২২৪ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এবং বাঁধের ওপর রাস্তা নির্মাণ, ৬৭টি গ্রোয়েন/স্পার নির্মাণ ও মেরামত এবং ১৭০ বর্গ কিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন কাজ প্রস্তাব করা হয়েছে।

আরেক সংসদ সদস্যের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী দেশে হামের প্রাদুর্ভাব রোধে সরকারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, হামের প্রাদুর্ভাবের কারণ, বিস্তার এবং টিকাদান কার্যক্রমের ওপর বিভিন্ন নীতিগত ও পরিচালনাগত বিষয় নিয়মিত পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) এর আওতায় টিকা সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে সম্পাদিত হয়। টিকা সংগ্রহ পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তনের ফলে টিকাদান কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কিনা, তা পর্যালোচনা করা হবে এবং কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে হামের টিকাদানের আওতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষার আওতায় আনতে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তিনি ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ নীতির আলোকে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কওমি আলেমদের অবদানের মূল্যায়ন ও বাজেট বরাদ্দ নিয়ে সংসদে আলোচনা

শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণে তিস্তায় আরেকটি ব্যারেজ: প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৬:৪৩:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

তিস্তা নদীতে শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণের জন্য আরও একটি ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। জাতীয় সংসদকে এই তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা। তিনি উল্লেখ করেন, এই নতুন ব্যারেজ নির্মাণের কারিগরি ও আর্থিক বিষয়সমূহ বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

সংসদে এক সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, তিস্তা নদীকেন্দ্রিক একটি টেকসই ও সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ইতোমধ্যেই একটি সমীক্ষা কার্যক্রম শেষ হয়েছে। এই সমীক্ষা প্রতিবেদনে ১১০ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ, একই দৈর্ঘ্যের নদী ড্রেজিং, ২২৪ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এবং বাঁধের ওপর রাস্তা নির্মাণ, ৬৭টি গ্রোয়েন/স্পার নির্মাণ ও মেরামত এবং ১৭০ বর্গ কিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন কাজ প্রস্তাব করা হয়েছে।

আরেক সংসদ সদস্যের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী দেশে হামের প্রাদুর্ভাব রোধে সরকারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, হামের প্রাদুর্ভাবের কারণ, বিস্তার এবং টিকাদান কার্যক্রমের ওপর বিভিন্ন নীতিগত ও পরিচালনাগত বিষয় নিয়মিত পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) এর আওতায় টিকা সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে সম্পাদিত হয়। টিকা সংগ্রহ পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তনের ফলে টিকাদান কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কিনা, তা পর্যালোচনা করা হবে এবং কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে হামের টিকাদানের আওতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষার আওতায় আনতে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তিনি ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ নীতির আলোকে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।