বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে কর্মকর্তাদের পদোন্নতি ও দায়িত্ব প্রদান প্রক্রিয়া নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। নানা অভিযোগ ও বিতর্কের মুখে থাকা ফ্লাইট সার্ভিস বিভাগের ব্যবস্থাপক শাহনাজ বেগমকে উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, গতকাল মঙ্গলবার শাহনাজ বেগমকে ডিজিএম পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে আদেশ জারি করা হয়। তবে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে একই দিন সেই দায়িত্ব প্রত্যাহার করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিমানে কর্মকর্তাদের পদোন্নতি ও দায়িত্ব বণ্টন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, শিডিউলিং ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি পক্ষপাতমূলকভাবে ফ্লাইট ডিউটি বণ্টন করেছেন, যার কারণে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী বঞ্চিত হয়েছেন। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় অভ্যন্তরীণ অসন্তোষও তৈরি হয়েছিল বলে জানা গেছে।
এদিকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট একটি মামলায় শাহনাজ বেগমের নাম আসামি হিসেবে উল্লেখ থাকার পরও তাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেক কর্মী। তাদের মতে, অভিযোগগুলো নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে শাহনাজ বেগমের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মুখপাত্র বোসরা ইসলাম বলেন, ম্যানেজার শাহনাজ বেগমকে ডিজিএম হিসেবে স্থায়ী পদোন্নতি দেওয়া হয়নি, অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে না করলে সেই দায়িত্ব প্রত্যাহার করতেই পারে।
ঘটনাটি নিয়ে বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তারা দায়িত্ব প্রদান ও পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় অধিক স্বচ্ছতা এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 





















