ঢাকা ০৮:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সহায়তায় কাতার সবসময় পাশে থাকবে: শেখ তামিম

কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি বলেছেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সমঝোতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে এমন কোনো চুক্তি ইরানের জন্যও সমানভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।

ইরানকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে কাতার মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় সক্রিয় রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে হামলার পর থেকে বিভিন্ন কূটনৈতিক উদ্যোগে দেশটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ শহরে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে এক যৌথ ব্রিফিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের উপস্থিতিতে শেখ তামিম বলেন, ‘যখনই আমাদের বন্ধু ও অংশীদাররা সহযোগিতা চায়, কাতার তাদের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত থাকে।’

তিনি আরও ইঙ্গিত দেন যে, চলমান সংকট নিরসনে সংলাপ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার বিকল্প নেই এবং কাতার এ ধরনের উদ্যোগে ভবিষ্যতেও সহায়তা অব্যাহত রাখবে। এছাড়াও দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর আগের মতো স্থিতিশীল পরিস্থিতি পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে কাতার। আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাতার তার কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে এবং সংঘাতের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।

গাজা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাতার এখনও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতা বজায় রেখে চুক্তির সব শর্ত কার্যকর করতে দেশটি কাজ করে যাচ্ছে। তবে যুদ্ধবিরতি চুক্তি থাকার পরও গাজায় গণহত্যা পুরোপুরি থামেনি। গত বছরের অক্টোবর মাসে যুদ্ধবিরতি নিয়ে সমঝোতা হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় হাজার হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। এই পরিস্থিতি অঞ্চলটিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে আরও কঠিন করে তুলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট: জনবান্ধব নাকি ঝুঁকিপূর্ণ?

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সহায়তায় কাতার সবসময় পাশে থাকবে: শেখ তামিম

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি বলেছেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সমঝোতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে এমন কোনো চুক্তি ইরানের জন্যও সমানভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।

ইরানকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে কাতার মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় সক্রিয় রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে হামলার পর থেকে বিভিন্ন কূটনৈতিক উদ্যোগে দেশটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ শহরে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে এক যৌথ ব্রিফিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের উপস্থিতিতে শেখ তামিম বলেন, ‘যখনই আমাদের বন্ধু ও অংশীদাররা সহযোগিতা চায়, কাতার তাদের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত থাকে।’

তিনি আরও ইঙ্গিত দেন যে, চলমান সংকট নিরসনে সংলাপ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার বিকল্প নেই এবং কাতার এ ধরনের উদ্যোগে ভবিষ্যতেও সহায়তা অব্যাহত রাখবে। এছাড়াও দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর আগের মতো স্থিতিশীল পরিস্থিতি পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে কাতার। আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাতার তার কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে এবং সংঘাতের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।

গাজা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাতার এখনও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতা বজায় রেখে চুক্তির সব শর্ত কার্যকর করতে দেশটি কাজ করে যাচ্ছে। তবে যুদ্ধবিরতি চুক্তি থাকার পরও গাজায় গণহত্যা পুরোপুরি থামেনি। গত বছরের অক্টোবর মাসে যুদ্ধবিরতি নিয়ে সমঝোতা হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় হাজার হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। এই পরিস্থিতি অঞ্চলটিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে আরও কঠিন করে তুলছে।