ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

শিক্ষার ৪ স্তম্ভে আমূল পরিবর্তন আনা হবে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ শিক্ষাব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নের জন্য চারটি মূল স্তম্ভ এবং একটি নতুন উপাদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি কারিকুলামের আধুনিকায়ন, শিক্ষকদের মানোন্নয়ন, জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ, বিভিন্ন শিক্ষা ধারার সমন্বয় (স্ট্রিম অ্যালাইনমেন্ট) এবং প্রযুক্তির সংযোজন (এআই ও ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান)—এই বিষয়গুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।

মঙ্গলবার ঢাকায় র‍্যাডিসন ব্লু হোটেলে কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন আয়োজিত ‘কেমব্রিজ প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড লঞ্চ ইভেন্ট ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার মাসের মধ্যেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি সুস্পষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদি ভিশন নির্ধারণ করেছে। এই ভিশনের মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বমানের নাগরিক তৈরি, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং শিক্ষাকে কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলা।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে দেশে ২৭টিরও বেশি ধরনের শিক্ষা ধারা বিদ্যমান। তিনি এই ধারাগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অভিন্ন ন্যূনতম মানদণ্ড নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন, যাতে মাদ্রাসা, বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম কিংবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মৌলিক জ্ঞান ও দক্ষতার ক্ষেত্রে সমান সুযোগ পায়।

শিক্ষকদের গুরুত্ব তুলে ধরে ববি হাজ্জাজ বলেন, “চাকা ছাড়া যেমন গাড়ি চলতে পারে না, তেমনি শিক্ষক ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থা চলতে পারে না।” তিনি জানান, দেশের বিপুলসংখ্যক শিক্ষকের জন্য বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে কেমব্রিজের শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে। এই অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ব্রিটিশ হাইকমিশন এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সামাজিক দায়বদ্ধতা: দেশজুড়ে ওয়ালটন প্লাজার ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও সার্বক্ষণিক হটলাইন

শিক্ষার ৪ স্তম্ভে আমূল পরিবর্তন আনা হবে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:১৩:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ শিক্ষাব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নের জন্য চারটি মূল স্তম্ভ এবং একটি নতুন উপাদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি কারিকুলামের আধুনিকায়ন, শিক্ষকদের মানোন্নয়ন, জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ, বিভিন্ন শিক্ষা ধারার সমন্বয় (স্ট্রিম অ্যালাইনমেন্ট) এবং প্রযুক্তির সংযোজন (এআই ও ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান)—এই বিষয়গুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।

মঙ্গলবার ঢাকায় র‍্যাডিসন ব্লু হোটেলে কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন আয়োজিত ‘কেমব্রিজ প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড লঞ্চ ইভেন্ট ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার মাসের মধ্যেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি সুস্পষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদি ভিশন নির্ধারণ করেছে। এই ভিশনের মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বমানের নাগরিক তৈরি, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং শিক্ষাকে কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলা।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে দেশে ২৭টিরও বেশি ধরনের শিক্ষা ধারা বিদ্যমান। তিনি এই ধারাগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অভিন্ন ন্যূনতম মানদণ্ড নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন, যাতে মাদ্রাসা, বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম কিংবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মৌলিক জ্ঞান ও দক্ষতার ক্ষেত্রে সমান সুযোগ পায়।

শিক্ষকদের গুরুত্ব তুলে ধরে ববি হাজ্জাজ বলেন, “চাকা ছাড়া যেমন গাড়ি চলতে পারে না, তেমনি শিক্ষক ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থা চলতে পারে না।” তিনি জানান, দেশের বিপুলসংখ্যক শিক্ষকের জন্য বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে কেমব্রিজের শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে। এই অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ব্রিটিশ হাইকমিশন এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।