ঢাকা ১২:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

গণমাধ্যম কোনো শাসকের মুখপত্র নয়, এর দায়বদ্ধতা কেবল জনগণের কাছে: আসিফ মাহমুদ

গণমাধ্যম কোনো বিশেষ শাসক বা দলের হাতিয়ার নয়, বরং এর একমাত্র দায়বদ্ধতা সত্য এবং জনগণের প্রতি। মঙ্গলবার সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে এক বিবৃতিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করার ইতিহাস বাংলাদেশের জন্য একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। ১৯৭৫ সালের এই দিনে তৎকালীন সরকার মাত্র চারটি পত্রিকা রেখে বাকি সব বন্ধ করে দিয়ে মুক্ত সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করেছিল।

আসিফ মাহমুদ তার বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন যে, গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী শাসনের কবলে পড়ে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। ভিন্নমত দমন এবং সমালোচনামূলক সাংবাদিকতাকে ভয় দেখিয়ে স্তব্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে, যার প্রতিফলন দেখা যায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশের অবনতি থেকে। তিনি বর্তমান ও ভবিষ্যতের সব সরকারকে সতর্ক করে বলেন, যে রাষ্ট্র সত্যকে ভয় পায়, সে রাষ্ট্র আসলে তার জনগণকেই ভয় পায়।

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হলে স্বাধীন সাংবাদিকতার কোনো বিকল্প নেই। আসিফ মাহমুদ মনে করেন, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের ওপর সব ধরনের হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা না গেলে প্রকৃত গণতন্ত্র চর্চা অসম্ভব। গণমাধ্যমকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দেওয়া এবং সত্য প্রকাশে উৎসাহিত করাই রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা ধরে রাখার পথে কারা হতে পারেন মূল তারকা?

গণমাধ্যম কোনো শাসকের মুখপত্র নয়, এর দায়বদ্ধতা কেবল জনগণের কাছে: আসিফ মাহমুদ

আপডেট সময় : ১০:৫৮:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

গণমাধ্যম কোনো বিশেষ শাসক বা দলের হাতিয়ার নয়, বরং এর একমাত্র দায়বদ্ধতা সত্য এবং জনগণের প্রতি। মঙ্গলবার সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে এক বিবৃতিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করার ইতিহাস বাংলাদেশের জন্য একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। ১৯৭৫ সালের এই দিনে তৎকালীন সরকার মাত্র চারটি পত্রিকা রেখে বাকি সব বন্ধ করে দিয়ে মুক্ত সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করেছিল।

আসিফ মাহমুদ তার বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন যে, গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী শাসনের কবলে পড়ে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। ভিন্নমত দমন এবং সমালোচনামূলক সাংবাদিকতাকে ভয় দেখিয়ে স্তব্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে, যার প্রতিফলন দেখা যায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশের অবনতি থেকে। তিনি বর্তমান ও ভবিষ্যতের সব সরকারকে সতর্ক করে বলেন, যে রাষ্ট্র সত্যকে ভয় পায়, সে রাষ্ট্র আসলে তার জনগণকেই ভয় পায়।

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হলে স্বাধীন সাংবাদিকতার কোনো বিকল্প নেই। আসিফ মাহমুদ মনে করেন, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের ওপর সব ধরনের হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা না গেলে প্রকৃত গণতন্ত্র চর্চা অসম্ভব। গণমাধ্যমকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দেওয়া এবং সত্য প্রকাশে উৎসাহিত করাই রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত।