বিশ্বকাপের আসরে গতিময় জার্মান মেশিনের সামনে স্রেফ উড়ে গেল নবাগত কুরাসাও। ম্যাচের শুরু থেকেই জার্মানি আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলা শুরু করে এবং দর্শকরা এক গোল উৎসব দেখে। তাতে ৭-১ ব্যবধানে বিধ্বস্ত হয় প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা কুরাসাও। জার্মানির হয়ে গোলগুলো করেন ফেলিক্স এনমেচা, নিকো শ্লটারবেক, কাই হাভার্টজ, জামাল মুসিয়ালা, নাথানিয়েল ব্রাউন ও ডেনিজ উনদাভ। কুরাসাওয়ের একমাত্র গোলদাতা লিয়ান্দ্রো কোমেনেনসিয়া।
ম্যাচের মাত্র পঞ্চম মিনিটে ফ্লোরিয়ান ভির্টজের নিখুঁত পাস থেকে ফেলিক্স এনমেচা বক্সের ভেতর বল পেয়ে ঠান্ডা মাথায় জাল খুঁজে নেন। শুরুর এই গোলের পরও জার্মানি চাপ বজায় রাখে। জার্মানির একের পর এক আক্রমণের মাঝেই ২০তম মিনিটে চমকে দেয় কুরাসাও। বক্সের বাইরে থেকে লিভানো কোমেনেনসিয়ার শট ডিফ্লেক্ট হয়ে ম্যানুয়েল নয়্যারকে কোনো সুযোগ না দিয়েই জালে জড়িয়ে যায়। সেই সঙ্গে বিশ্বকাপ ইতিহাসে কুরাসাওয়ের প্রথম গোলদাতা বনে যান কোমেনেনসিয়া।
এই গোলের পর কিছু সময়ের জন্য অস্বস্তিতে পড়লেও দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ফিরে নেয় জার্মানি। সেট-পিসে জার্মানির চাপ অব্যাহত থাকে, বিশেষ করে জোশুয়া কিমিখের কর্নারগুলো কুরাসাওয়ের জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এরই ধারাবাহিকতায় ৩৬ মিনিটে ব্রাউনের কর্নার থেকে নিকো শ্লোটারবেক হেডে জাল খুঁজে নেন। তাতে জার্মানি আবারও লিড ফিরে পায়। প্রথমার্ধের শেষভাগে ম্যাচ আরও নাটকীয় হয়ে ওঠে।
প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে বক্সে এনমেচাকে ফাউল করেন কুরাসাওয়ের বাযোর। রেফারি কোনো দ্বিধা না করে পেনাল্টির নির্দেশ দেন। স্পট কিক থেকে কাই হাভার্টজ চিরচেনা স্টাইলে বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান বাড়ান। তাতে ৩-১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় জার্মানি। বিরতি থেকে ফিরেই জার্মানি আক্রমণের গতি বাড়িয়ে দেয়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে জোশুয়া কিমিখ মাঝমাঠ থেকে দুর্দান্ত এক থ্রু পাস দেন।
রিপোর্টারের নাম 

























