২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের জন্য প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। শেষ মুহূর্তের যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হওয়ার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই যেকোনো দিন ফলাফল প্রকাশ করা হতে পারে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফলাফলে কোনো ধরনের ত্রুটি বা অসঙ্গতি এড়াতে এটি বারবার যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। শিক্ষা পদক, গোল্ডকাপ ফুটবল ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতাসহ অধিদপ্তরের একাধিক রুটিন কাজের ব্যস্ততার কারণে ফল তৈরিতে কিছুটা সময় লেগেছে। তবে এখন মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই ফল প্রকাশ করা যাবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষা অফিসার (সাধারণ প্রশাসন) মো. আব্দুর রেজ্জাক সিদ্দিকী জানিয়েছেন, ফলাফল তৈরির পর তা অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পেশ করা হবে এবং আশা করা হচ্ছে অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে। এর আগে অধিদপ্তর জানায়, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং বৃত্তির সংখ্যা বেশি হওয়ায় স্থানীয় পর্যায়ের তথ্য নির্ভুলভাবে যাচাই করতে বাড়তি সময় লাগছে। এছাড়া আইনি জটিলতার কারণে এবারের পরীক্ষা কয়েক দফা পিছিয়ে গত ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বর্তমানে আইপিইএমআইএস সফটওয়্যারে নির্ভুল ফল আপলোড করার জন্য দিনরাত কাজ চলছে।
ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই তা জানতে পারবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অফিশিয়াল পোর্টাল (আইপিইএমআইএস) ছাড়াও মোবাইল ফোনের খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে দ্রুত ফল সংগ্রহের সুযোগ থাকবে। উল্লেখ্য, গত ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া সারা দেশে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে বিশেষ সূচিতে পরীক্ষা নেওয়া হয় ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল। এবার সাড়ে ৬ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্য থেকে মেধার ভিত্তিতে মোট ৮২ হাজার ৫০০ জনকে বৃত্তির জন্য মনোনীত করা হবে। সরকারি ও বেসরকারি (কিন্ডারগার্টেন) বিদ্যালয়ের জন্য কোটা ভাগ করা হয়েছে; মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ অর্থাৎ ৬৬ হাজার শিক্ষার্থী নির্বাচিত হবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এবং বাকি ২০ শতাংশ বা ১৬ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে বেসরকারি বিদ্যালয় থেকে।
রিপোর্টারের নাম 



















