ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধসের আতঙ্ক: সাত বছর পরও মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে ৫০০ পরিবার

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে ২০১৭ সালের সেই ভয়াবহ পাহাড় ধসের স্মৃতি আজও স্থানীয়দের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। সেদিনের মর্মান্তিক ঘটনায় ১৮ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন এবং আহত হয়েছিলেন শতাধিক মানুষ। তবে সেই ঘটনার দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও পাহাড়ের পাদদেশে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাস করছে প্রায় ৫০০ পরিবার।

বিশেষ করে কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনি, ওয়াগ্গা ইউনিয়নের মুরালীপাড়া এবং রাইখালীসহ বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় পাহাড়ের ঢালুতে বসতি গেড়েছে বহু মানুষ। বর্ষা মৌসুম এলেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হলেও স্থায়ী পুনর্বাসনের কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় তারা বারবার মৃত্যুঝুঁকি নিয়েই ঘরে ফিরে আসে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে স্থায়ীভাবে নিরাপদ কোনো স্থানে পুনর্বাসন করা না গেলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যাবে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এসব পরিবারের একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরির কাজ চলছে এবং তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থা যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ-র চোখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট: জনকল্যাণমুখী ও ব্যবসাবান্ধব

কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধসের আতঙ্ক: সাত বছর পরও মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে ৫০০ পরিবার

আপডেট সময় : ১২:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে ২০১৭ সালের সেই ভয়াবহ পাহাড় ধসের স্মৃতি আজও স্থানীয়দের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। সেদিনের মর্মান্তিক ঘটনায় ১৮ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন এবং আহত হয়েছিলেন শতাধিক মানুষ। তবে সেই ঘটনার দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও পাহাড়ের পাদদেশে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাস করছে প্রায় ৫০০ পরিবার।

বিশেষ করে কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনি, ওয়াগ্গা ইউনিয়নের মুরালীপাড়া এবং রাইখালীসহ বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় পাহাড়ের ঢালুতে বসতি গেড়েছে বহু মানুষ। বর্ষা মৌসুম এলেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হলেও স্থায়ী পুনর্বাসনের কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় তারা বারবার মৃত্যুঝুঁকি নিয়েই ঘরে ফিরে আসে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে স্থায়ীভাবে নিরাপদ কোনো স্থানে পুনর্বাসন করা না গেলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যাবে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এসব পরিবারের একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরির কাজ চলছে এবং তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থা যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।