আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যবসা, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানকে উৎসাহিত করতে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বড় ধরনের ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এর মধ্যে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের সেবার ওপর থেকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, মোবাইল ফোনের সিমের ওপর আরোপিত ৩০০ টাকা কর তুলে নেওয়া এবং কিছু শিল্পের ভ্যাট অব্যাহতির মেয়াদ বাড়ানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা রয়েছে।
প্রস্তাবিত ছাড়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দিতে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের সেবার ওপর থেকে সম্পূর্ণ ভ্যাট প্রত্যাহার। মোবাইল সিমের ওপর ৩০০ টাকা করও পুরোপুরি তুলে নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আগামী ৩০ জুন ২০৩৫ পর্যন্ত স্থানীয় সরবরাহ, সেবা আমদানি এবং স্থান ও স্থাপনা ভাড়ার ওপর থেকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণ অব্যাহতির প্রস্তাব করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যখাতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে হৃদরোগের হার্টের রিং এবং চোখের ইন্ট্রাওকুলার লেন্স সরবরাহের ওপর ১০ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতি এবং কিডনি ডায়ালাইসিসের সরঞ্জামের ওপর থেকে ৭.৫ শতাংশ আগাম কর অব্যাহতির প্রস্তাব করা হয়েছে। কৃষি খাতে ব্যবসায়িক পর্যায়ে সব ধরনের সারের ওপর থেকে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট এবং আমদানিকৃত কীটনাশকের ওপর থেকে ৭.৫ শতাংশ আগাম কর সম্পূর্ণ অব্যাহতির প্রস্তাব করা হয়েছে।
দেশীয় শিল্পে মূসক অব্যাহতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। মোবাইল ফোন উৎপাদন ও সংযোজন এবং কম্পিউটার, ল্যাপটপ, প্রিন্টারসহ তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের স্থানীয় উৎপাদনের ক্ষেত্রে মূসক অব্যাহতি সুবিধা ৩০ জুন ২০৩০ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। হাইব্রিড ও বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি) এবং ইলেকট্রিক বাস ও ট্রাকের স্থানীয় উৎপাদনের ক্ষেত্রেও ২০৩০ সাল পর্যন্ত মূসক অব্যাহতি সুবিধার প্রস্তাব রয়েছে।
অন্যদিকে, ভ্যাটের আওতা বৃদ্ধি এবং নতুন হারও প্রস্তাব করা হয়েছে। উচ্চ মূল্যের হিমায়িত মাছ এবং আমদানিকৃত গাছ ও সুগন্ধি কাঠের ওপর ১৫ শতাংশ মূসক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। জুয়েলারি সেবার ওপর বিদ্যমান ৫ শতাংশ ভ্যাটের পরিবর্তে প্রতি ভরি সোনায় ২,৫০০ টাকা হারে সুনির্দিষ্ট ভ্যাট নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এমএস প্রোডাক্ট (রড) এর ক্ষেত্রেও নতুন ভ্যাট হার প্রস্তাব করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























