ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

তীব্র তারল্য সংকটে ইসলামী ব্যাংক: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকা সহায়তা আবেদন

বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রয়োজনীয় নগদ জমা বা সিআরআর (ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও) সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। ব্যাংকটির শীর্ষ পর্ষদে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অস্থিরতার জেরে আমানতকারীরা গত কয়েক দিনে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন। এই সংকট কাটাতে ব্যাংকটি এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার জরুরি তারল্য সহায়তা চেয়েছে।

ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক একজন ডেপুটি গভর্নরকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পর থেকেই ব্যাংকটিতে অস্থিরতা শুরু হয়। গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডারদের একটি অংশ এই নিয়োগের বিরোধিতা করে টানা কর্মসূচি পালন করছেন। এর প্রভাবেই ব্যাংকের প্রতি সাধারণ গ্রাহকদের আস্থায় চির ধরেছে এবং বড় অংকের আমানত উত্তোলনের হিড়িক পড়েছে।

ইসলামী ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে তাদের চলতি হিসাবের ভারসাম্য বর্তমানে সীমার নিচে নেমে গেছে। বিগত সরকারের আমলে একটি নির্দিষ্ট শিল্প গ্রুপের নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ ঋণ গ্রহণের ফলে ব্যাংকটি আগে থেকেই দুর্বল হয়ে পড়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকার আসার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও সাম্প্রতিক নেতৃত্ব পরিবর্তন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় ব্যাংকটি আবারও গভীর সংকটে নিমজ্জিত হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় আহত শিবির নেতা সালাউদ্দিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর

তীব্র তারল্য সংকটে ইসলামী ব্যাংক: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকা সহায়তা আবেদন

আপডেট সময় : ০১:৩১:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রয়োজনীয় নগদ জমা বা সিআরআর (ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও) সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। ব্যাংকটির শীর্ষ পর্ষদে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অস্থিরতার জেরে আমানতকারীরা গত কয়েক দিনে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন। এই সংকট কাটাতে ব্যাংকটি এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার জরুরি তারল্য সহায়তা চেয়েছে।

ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক একজন ডেপুটি গভর্নরকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পর থেকেই ব্যাংকটিতে অস্থিরতা শুরু হয়। গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডারদের একটি অংশ এই নিয়োগের বিরোধিতা করে টানা কর্মসূচি পালন করছেন। এর প্রভাবেই ব্যাংকের প্রতি সাধারণ গ্রাহকদের আস্থায় চির ধরেছে এবং বড় অংকের আমানত উত্তোলনের হিড়িক পড়েছে।

ইসলামী ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে তাদের চলতি হিসাবের ভারসাম্য বর্তমানে সীমার নিচে নেমে গেছে। বিগত সরকারের আমলে একটি নির্দিষ্ট শিল্প গ্রুপের নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ ঋণ গ্রহণের ফলে ব্যাংকটি আগে থেকেই দুর্বল হয়ে পড়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকার আসার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও সাম্প্রতিক নেতৃত্ব পরিবর্তন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় ব্যাংকটি আবারও গভীর সংকটে নিমজ্জিত হয়েছে।