রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাক্ষ্যগ্রহণের সময় আদালতে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ও ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের বর্ণনায় উঠে আসে হত্যাকাণ্ডের লোমহর্ষক সব তথ্য। সাক্ষী এসআই মো. ইকবাল হোসেন ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি জানান, শিশুটিকে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করা হয় এবং হত্যার পর তার দেহ খণ্ড-বিখণ্ড করে বাথরুমে ফেলে রাখা হয়েছিল।
এদিকে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. নসরত জাবীন আদালতে জানান, শিশুটির শরীরের বিভিন্ন অংশ বিচ্ছিন্ন ছিল এবং গোপন অঙ্গে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর ক্ষত ছিল। সাক্ষ্যদানকালে চিকিৎসক জানান, শরীরজুড়ে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন ছিল যা পৈশাচিকতাকে হার মানায়। মামলার পরবর্তী শুনানিতে আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 

























