ঢাকা ০১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

রামিসা হত্যা: আদালতে বাবার হৃদয়বিদারক সাক্ষ্য

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

প্রথম সাক্ষী হিসেবে আদালতে সাক্ষ্য দেন ভুক্তভোগী শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা। তিনি বলেন, ঘটনার সময় তিনি অফিসে ছিলেন। স্ত্রী পারভীন আক্তারের ফোন পেয়ে দ্রুত বাসায় ফিরে আসেন। বাসার সামনে এসে অনেক লোকজনের ভিড় দেখতে পান।

আদালতে তিনি জানান, তার স্ত্রী তাকে জানান যে তাদের মেয়ে পাশের একটি ফ্ল্যাটে রয়েছে। পরে তারা ওই ফ্ল্যাটের দরজা খোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু দরজাটি ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। একপর্যায়ে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে দরজার তালা খুলে যায়।

তিনি আরও বলেন, ফ্ল্যাটের ভেতরে প্রবেশ করে একটি কক্ষের সামনে রক্তের দাগ দেখতে পান। সেখান থেকে বাথরুমের ভেতরেও রক্ত দেখতে পান। পরে বাথরুমে মেয়ের মরদেহ দেখতে পেয়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো। আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করবেন।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যা: আদালতে বুকফাটানো আর্তনাদ বাবা-মায়ের

রামিসা হত্যা: আদালতে বাবার হৃদয়বিদারক সাক্ষ্য

আপডেট সময় : ১১:৫৩:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

প্রথম সাক্ষী হিসেবে আদালতে সাক্ষ্য দেন ভুক্তভোগী শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা। তিনি বলেন, ঘটনার সময় তিনি অফিসে ছিলেন। স্ত্রী পারভীন আক্তারের ফোন পেয়ে দ্রুত বাসায় ফিরে আসেন। বাসার সামনে এসে অনেক লোকজনের ভিড় দেখতে পান।

আদালতে তিনি জানান, তার স্ত্রী তাকে জানান যে তাদের মেয়ে পাশের একটি ফ্ল্যাটে রয়েছে। পরে তারা ওই ফ্ল্যাটের দরজা খোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু দরজাটি ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। একপর্যায়ে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে দরজার তালা খুলে যায়।

তিনি আরও বলেন, ফ্ল্যাটের ভেতরে প্রবেশ করে একটি কক্ষের সামনে রক্তের দাগ দেখতে পান। সেখান থেকে বাথরুমের ভেতরেও রক্ত দেখতে পান। পরে বাথরুমে মেয়ের মরদেহ দেখতে পেয়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো। আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করবেন।