জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ার খবরে জনমনে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষ আশঙ্কা করছেন, তেলের দাম বাড়ার ফলে পরিবহন ও নিত্যপণ্যের বাজারে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তার ওপর বিদ্যুতের দাম যোগ হলে জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় পর্যায়ে চলে যাবে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো এই বাড়তি খরচের চাপে পিষ্ট হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে।
জানা গেছে, ঈদের আগেই বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে গণশুনানিতে অংশ নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, খুব দ্রুতই বিদ্যুতের নতুন দামের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হতে পারে। শনিবার ডিজেল ছাড়া কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম লিটারপ্রতি পাঁচ টাকা বৃদ্ধি পাওয়ার পর থেকেই পণ্যমূল্য ও পরিবহন ব্যয় নিয়ে মানুষের মধ্যে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। এখন বিদ্যুৎ বিলের বাড়তি চাপ সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
রাজধানীর একাধিক বাসিন্দা জানিয়েছেন, এমনিতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। এর ওপর জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ব্যবসায়ীদের জন্য দাম বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে লন্ড্রি বা ছোটখাটো সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের খরচও ইতোমধ্যে বাড়তে শুরু করেছে।
এদিকে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয়ের দোহাই দিয়ে সব দায় সাধারণ মানুষের ওপর চাপানো ঠিক নয়। তাদের মতে, সংকট নিরসনে বিকল্প উপায় খোঁজার পরিবর্তে ভোক্তাদের ওপর বাড়তি ব্যয়ভার চাপানো একটি অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, বর্তমান উৎপাদন খরচ ও সরবরাহ ব্যবস্থার ভারসাম্য বজায় রাখতেই এই মূল্য সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























