ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

হজ শেষে দেশে ফিরেছেন পৌনে ১৮ হাজার হাজি, সৌদি আরবে মৃত্যু ৪২ জনের

পবিত্র হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ১৭ হাজার ৬৮৯ জন হাজি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ২ হাজার ৮২ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ১৫ হাজার ৬০৭ জন। একই সময়ে সৌদি আরবে মৃত্যুবরণ করেছেন ৪২ জন হাজি।
হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, ফিরতি যাত্রীদের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিবহন করেছে ৪ হাজার ৫৭৪ জন, সৌদি এয়ারলাইন্স ৫ হাজার ৮০৪ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ৭ হাজার ২৮৩ জন হাজি। অন্যান্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন ২৮ জন।
এ পর্যন্ত মোট ৪৩টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১০টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ১৫টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ১৮টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
বুলেটিনে আরও জানানো হয়, সৌদি আরবে হাজিদের চিকিৎসা সহায়তায় ৫৩ হাজার ১০৬টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৪ হাজার ২৮৭টি সেবা দেওয়া হয়।
এদিকে এ সময়ের মধ্যে সৌদি আরবে মারা গেছেন ৪২ জন হাজি। মৃত ৪২ জন হাজির মধ্যে ২৭ জন পুরুষ এবং ১৫ জন নারী। মক্কায় ৩২ জন এবং মদিনায় ১০ জন মৃত্যুবরণ করেন।
বর্তমানে সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ২৪৫ জন হাজি, আর ভর্তি আছেন ২১ জন।
হাসপাতালভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, আল হারাম ইমার্জেন্সি হাসপাতালে (তাইসির) ২ জন, কিং ফয়সাল হাসপাতালে ২ জন, কিং আব্দুল্লাহ মেডিকেল সিটি হাসপাতালে ২ জন, আবির গ্রুপ (সৌদি ন্যাশনাল হাসপাতাল, আজিজিয়া)-এ ৫ জন, আন-নুর হাসপাতালে ৬ জন এবং কিং আব্দুল আজিজ হাসপাতালে ৪ জন চিকিৎসাধীন আছেন।
হজ বুলেটিনে জানানো হয়, এ বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৩০টি লিড হজ এজেন্সি অনুমোদিত ছিল। সৌদি আরবে হজযাত্রীদের প্রথম ফ্লাইট যায় ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট ২১ মে। সরকারি কোটা ছিল ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি কোটা ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন। হজযাত্রীদের ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে এবং শেষ ফ্লাইট নির্ধারিত আছে ৩০ জুন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জঙ্গল সলিমপুরের ‘স্বঘোষিত রাজা’ জামাই ইয়াসিন, কীভাবে গড়ে উঠল সন্ত্রাসের সাম্রাজ্য?

হজ শেষে দেশে ফিরেছেন পৌনে ১৮ হাজার হাজি, সৌদি আরবে মৃত্যু ৪২ জনের

আপডেট সময় : ০১:১১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

পবিত্র হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ১৭ হাজার ৬৮৯ জন হাজি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ২ হাজার ৮২ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ১৫ হাজার ৬০৭ জন। একই সময়ে সৌদি আরবে মৃত্যুবরণ করেছেন ৪২ জন হাজি।
হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, ফিরতি যাত্রীদের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিবহন করেছে ৪ হাজার ৫৭৪ জন, সৌদি এয়ারলাইন্স ৫ হাজার ৮০৪ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ৭ হাজার ২৮৩ জন হাজি। অন্যান্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন ২৮ জন।
এ পর্যন্ত মোট ৪৩টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১০টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ১৫টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ১৮টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
বুলেটিনে আরও জানানো হয়, সৌদি আরবে হাজিদের চিকিৎসা সহায়তায় ৫৩ হাজার ১০৬টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৪ হাজার ২৮৭টি সেবা দেওয়া হয়।
এদিকে এ সময়ের মধ্যে সৌদি আরবে মারা গেছেন ৪২ জন হাজি। মৃত ৪২ জন হাজির মধ্যে ২৭ জন পুরুষ এবং ১৫ জন নারী। মক্কায় ৩২ জন এবং মদিনায় ১০ জন মৃত্যুবরণ করেন।
বর্তমানে সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ২৪৫ জন হাজি, আর ভর্তি আছেন ২১ জন।
হাসপাতালভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, আল হারাম ইমার্জেন্সি হাসপাতালে (তাইসির) ২ জন, কিং ফয়সাল হাসপাতালে ২ জন, কিং আব্দুল্লাহ মেডিকেল সিটি হাসপাতালে ২ জন, আবির গ্রুপ (সৌদি ন্যাশনাল হাসপাতাল, আজিজিয়া)-এ ৫ জন, আন-নুর হাসপাতালে ৬ জন এবং কিং আব্দুল আজিজ হাসপাতালে ৪ জন চিকিৎসাধীন আছেন।
হজ বুলেটিনে জানানো হয়, এ বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৩০টি লিড হজ এজেন্সি অনুমোদিত ছিল। সৌদি আরবে হজযাত্রীদের প্রথম ফ্লাইট যায় ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট ২১ মে। সরকারি কোটা ছিল ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি কোটা ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন। হজযাত্রীদের ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে এবং শেষ ফ্লাইট নির্ধারিত আছে ৩০ জুন।