ঢাকা ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

জ্বালানি খাতে লুটপাট বন্ধ না হলে সরকারের পতন অনিবার্য: তারিকুল ইসলাম

জ্বালানি খাতে চলমান অস্থিরতা ও লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুব শাখা জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, দেশের জ্বালানি খাতে লুটপাট অব্যাহত থাকলে বর্তমান সরকারকে জনগণের রোষানলে পড়তে হবে এবং তাদের হাতে হারিকেন ধরিয়ে দেওয়া হবে।

রাজধানীতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আয়োজিত এক মিছিল শেষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। তারিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, সরকার বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও রাতের অন্ধকারে জ্বালানির দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।

বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, সরকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবের চেয়ে নিজস্ব ভাবমূর্তি তৈরিতে বেশি মনোযোগী। রাজনৈতিক সংকট নিরসনে বিরোধী শক্তিগুলোর সঙ্গে আলোচনার পরিবর্তে দমন-পীড়নের পথ বেছে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন নিশ্চিত করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আজকের খেলার সূচি: টিভিতে চোখ রাখুন

জ্বালানি খাতে লুটপাট বন্ধ না হলে সরকারের পতন অনিবার্য: তারিকুল ইসলাম

আপডেট সময় : ০৫:৫৪:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

জ্বালানি খাতে চলমান অস্থিরতা ও লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুব শাখা জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, দেশের জ্বালানি খাতে লুটপাট অব্যাহত থাকলে বর্তমান সরকারকে জনগণের রোষানলে পড়তে হবে এবং তাদের হাতে হারিকেন ধরিয়ে দেওয়া হবে।

রাজধানীতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আয়োজিত এক মিছিল শেষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। তারিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, সরকার বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও রাতের অন্ধকারে জ্বালানির দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।

বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, সরকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবের চেয়ে নিজস্ব ভাবমূর্তি তৈরিতে বেশি মনোযোগী। রাজনৈতিক সংকট নিরসনে বিরোধী শক্তিগুলোর সঙ্গে আলোচনার পরিবর্তে দমন-পীড়নের পথ বেছে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন নিশ্চিত করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।