ঢাকা ১২:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

না ফেরার দেশে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ

বাংলাদেশের রাজনীতির উজ্জ্বল নক্ষত্র, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন। সোমবার (১ জুন) বিকেলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তাঁর প্রয়াণের বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পরিবার নিশ্চিত করেছে।

১৯৪৩ সালে ভোলায় জন্মগ্রহণ করা তোফায়েল আহমেদ বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী ছিলেন। তিনি দীর্ঘ সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ভোলা-১ আসন থেকে নয়বার জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এই নেতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ডাকসুর ভিপি ও সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করার ঘোষণাটি তিনিই দিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিব বাহিনীর অন্যতম প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেতা স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অবিস্মরণীয় নাম হয়ে থাকবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সামাজিক দায়বদ্ধতা: দেশজুড়ে ওয়ালটন প্লাজার ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও সার্বক্ষণিক হটলাইন

না ফেরার দেশে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ

আপডেট সময় : ০৫:১৮:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনীতির উজ্জ্বল নক্ষত্র, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন। সোমবার (১ জুন) বিকেলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তাঁর প্রয়াণের বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পরিবার নিশ্চিত করেছে।

১৯৪৩ সালে ভোলায় জন্মগ্রহণ করা তোফায়েল আহমেদ বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী ছিলেন। তিনি দীর্ঘ সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ভোলা-১ আসন থেকে নয়বার জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এই নেতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ডাকসুর ভিপি ও সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করার ঘোষণাটি তিনিই দিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিব বাহিনীর অন্যতম প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেতা স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অবিস্মরণীয় নাম হয়ে থাকবেন।