কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা বা নীতিমালা নির্ধারণ না করায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে একটি প্রতিষ্ঠান। ব্যবহারের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ না থাকায় মাত্র এক মাসেই তাদের এআই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের বিল এসেছে ৫০ কোটি ডলার।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, এটি কোনো কারিগরি ত্রুটি ছিল না, বরং যথাযথ তদারকির অভাব ও ব্যবহারের সীমা নির্ধারণ না করার ফলে এই ব্যয়বহুল ব্যর্থতার ঘটনা ঘটেছে। কোম্পানিটি তাদের কর্মীদের ক্লদ প্ল্যাটফর্মে অবাধ ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছিল। কর্মীরা যখন স্বয়ংক্রিয় কোডিং এজেন্ট বা দীর্ঘ প্রম্পট ব্যবহারের মাধ্যমে জটিল সব কাজ সম্পন্ন করতে শুরু করেন, তখন টোকেন খরচ অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়।
বর্তমানে বিভিন্ন বড় প্রতিষ্ঠান এআই ব্যবহারের ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। মাইক্রোসফট বা উবারের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোও এআই খাতে ক্রমবর্ধমান খরচের লাগাম টানতে কঠোর নীতিমালা গ্রহণ করছে। এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, যথাযথ গাইডলাইন বা ড্যাশবোর্ড ছাড়া এআই প্রযুক্তির ব্যবহার প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশাল আর্থিক ঝুঁকির কারণ হতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 
























