ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

হামের উপসর্গ নিয়ে শিশু মৃত্যুর মিছিল অব্যাহত, হাসপাতালে রোগীর চাপ বৃদ্ধি

রাজধানীর ঢাকা শিশু হাসপাতালে শ্বাসকষ্ট, জ্বর ও শরীরে ফুসকুড়ি-জাতীয় উপসর্গ নিয়ে আসা শিশুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিপুল সংখ্যক শিশু বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে, যার ফলে চিকিৎসা কার্যক্রম বাড়তি চাপের মধ্যে চলছে।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দেখা যাচ্ছে, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া এবং বিভিন্ন সংক্রমণজনিত সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে অভিভাবকরা ভিড় করছেন। অনেক অভিভাবক ঈদের ছুটি গ্রামে না গিয়ে সন্তানের চিকিৎসার জন্য ঢাকাতেই অবস্থান করছেন, যা তাদের উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হামের উপসর্গ আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত শনাক্তকরণ এবং সময়মতো চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত জরুরি। এতে জটিলতা বেড়ে মৃত্যুঝুঁকি কমানো সম্ভব। পাশাপাশি, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করার ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সময়মতো টিকা প্রদান এবং দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে এই রোগের বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটির সময় রাজধানীর বাইরে থেকে আসা শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ এ বিষয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছে। গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়ে মোট ৫৮৫ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার আরও দুই শিশুর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। হাসপাতালে এখনও অসংখ্য শিশু চিকিৎসাধীন থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তারেক রহমান

হামের উপসর্গ নিয়ে শিশু মৃত্যুর মিছিল অব্যাহত, হাসপাতালে রোগীর চাপ বৃদ্ধি

আপডেট সময় : ০৪:০৭:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

রাজধানীর ঢাকা শিশু হাসপাতালে শ্বাসকষ্ট, জ্বর ও শরীরে ফুসকুড়ি-জাতীয় উপসর্গ নিয়ে আসা শিশুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিপুল সংখ্যক শিশু বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে, যার ফলে চিকিৎসা কার্যক্রম বাড়তি চাপের মধ্যে চলছে।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দেখা যাচ্ছে, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া এবং বিভিন্ন সংক্রমণজনিত সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে অভিভাবকরা ভিড় করছেন। অনেক অভিভাবক ঈদের ছুটি গ্রামে না গিয়ে সন্তানের চিকিৎসার জন্য ঢাকাতেই অবস্থান করছেন, যা তাদের উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হামের উপসর্গ আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত শনাক্তকরণ এবং সময়মতো চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত জরুরি। এতে জটিলতা বেড়ে মৃত্যুঝুঁকি কমানো সম্ভব। পাশাপাশি, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করার ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সময়মতো টিকা প্রদান এবং দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে এই রোগের বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটির সময় রাজধানীর বাইরে থেকে আসা শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ এ বিষয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছে। গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়ে মোট ৫৮৫ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার আরও দুই শিশুর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। হাসপাতালে এখনও অসংখ্য শিশু চিকিৎসাধীন থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।