কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে নদ তীরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন ভাঙন ঝুঁকিতে থাকা এলাকাবাসী। বিক্ষোভ শেষে নদের তীরে গড়ে ওঠা বালু ব্যবসায়ীদের টোল ঘর গুঁড়িয়ে দেন তারা।
শনিবার (৩০ মে) দুপুরে উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ফকিরের হাট ঘাটের কাছে শত শত নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় বাসিন্দা এবং চিলমারী মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক নীহারিকা শারমিন দীপির সভাপতিত্বে এই কর্মসূচিতে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘রিভারাইন পিপল’ এর পরিচালক ও রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তুহিন ওয়াদুদও অংশ নেন। এছাড়াও শিক্ষক, ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী নারী-পুরুষসহ স্থানীয় শত শত বাসিন্দা বিক্ষোভে যোগ দেন।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন যে, প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে নদীতে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। নদী তীর রক্ষায় ব্যবহৃত ব্লক তুলে বালু পরিবহনের ট্রাকের জন্য রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র তীরকে ভাঙন ঝুঁকিতে ফেলে একটি চিহ্নিত চক্র দিনের পর দিন বালু ব্যবসা চালিয়ে গেলেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদ জানালেও অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হচ্ছে না। উপজেলার ফকিরের হাট ঘাট থেকে কাঁচকোল স্লুইচ গেট পর্যন্ত অবাধে বালু উত্তোলন ও পরিবহন করে তীর রক্ষা বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাঙন ঝুঁকিতে ফেলেছে। কোনো প্রতিকার না পেয়ে এলাকাবাসী আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ফকিরের হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন বলেন, ‘কিছু চিহ্নিত লোকের সহায়তায় বাইরে থেকে আসা বালুখেকোরা অবাধে বালু উত্তোলন করছে। আমাদের বসতি ও জনপদকে ভাঙন ঝুঁকিতে ফেলে তারা নিজেদের পকেট ভরছে। রাস্তাঘাট নষ্ট করছে। তীর রক্ষার ব্লক তুলে বালুর ট্রাকের রাস্তা তৈরির মতো দুঃসাহসও তারা দেখিয়েছে। আর সহ্য করা হবে না। এই নদী থেকে আর একটি বালুর কণাও নিয়ে যেতে দেবো না। প্রশাসনকে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে, অন্যথায় এলাকাবাসী নিজেরাই এর প্রতিরোধ করবে।’
নদী ভাঙনে ভুক্তভোগী ষাটোর্ধ্ব নারী আকতারা লিপি সমাবেশে অংশ নিয়ে বলেন, ‘আমার এখন আশ্রয়ের স্থান নেই। নদী ভাঙন আমাকে নিঃস্ব করেছে। কিন্তু কেউ আমার ঘরবাড়ি তুলে দেয়নি। আমি চাই না আমার মতো আর কেউ ভিটেহারা হোক। এই বালু উত্তো
রিপোর্টারের নাম 






















