পবিত্র ঈদুল আজহায় পশু কোরবানি ও মাংস কাটাকাটির সময় রাজধানীজুড়ে অন্তত ১৩০ জন আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। গরুর গুঁতা, লাথি, ছুরি ও চাপাতির আঘাতে আহতদের মধ্যে অনেকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
রায়েরবাজারের কসাই মো. ওমর ফারুকের উদাহরণে দেখা যায়, গরুর মাংস কাটার একপর্যায়ে চাপাতি ছিটকে গিয়ে তার বাম হাঁটুতে লাগে, যার ফলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) ভর্তি হন।
শুধুমাত্র পঙ্গু হাসপাতালেই ঈদের দিন সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ৫০ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের একজন সহযোগী অধ্যাপক জানান, বেশিরভাগ রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কেউ ছুরি বা চাপাতির আঘাতে, আবার কেউ পশুর গুঁতা বা লাথিতে কাঁধ ও কোমরে আঘাত পেয়েছেন।
অন্যদিকে, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালেও রাজধানীসহ আশপাশের এলাকা থেকে কোরবানি দিতে গিয়ে ও মাংস কাটাকাটি করার সময় অন্তত ৮০ জন আহত ব্যক্তি চিকিৎসা নিয়েছেন। ঈদের নামাজ শেষে রাজধানীবাসী পশু কোরবানিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। যদিও সিটি কর্পোরেশন নির্ধারিত স্থানে পশু জবাইয়ের নির্দেশনা দিয়েছিল, তবুও নগরীর বিভিন্ন অলিগলি, সড়কের পাশ ও বাসাবাড়ির নিচে পশু কোরবানি করতে দেখা গেছে।
রিপোর্টারের নাম 























