ঢাকা ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

আরাফাতের ময়দানে ‘জিয়া ট্রি’ নামক নিমগাছ: বিএনপির দাবি ও বাস্তবতা

বিএনপি দাবি করেছে, সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে একটি বাগান রয়েছে যা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ঘিরে আবর্তিত এবং সেখানকার বহু নিমগাছ ‘জিয়া ট্রি’ নামে পরিচিত। দলটির পক্ষ থেকে এই দাবির সপক্ষে একটি পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা হয়েছে।

বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করা হয়, সৌদি বাদশাহ খালিদ বিন আব্দুল আজিজের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় জিয়াউর রহমান বিমানের কার্গো ভর্তি নিমগাছের চারা নিয়ে গিয়েছিলেন, যা আরাফাতের ময়দানে লাগানো হয়েছিল। পোস্টে একটি কথোপকথনের উল্লেখ করে বলা হয়, জিয়াউর রহমান সৌদি বাদশাহকে বলেছিলেন, ‘তোমার দেশে যা নেই, আমার দেশে তা আছে। আবার আমার দেশে যা নেই, তা তোমার দেশে আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার দেশে অনেক পরিশ্রমী মানুষ আছে। তারা অনেক কাজ করতে পারে। আর তোমার দেশে যেমন কাজ আছে, তেমনি টাকাও আছে।’

বিএনপির পোস্টে আরও দাবি করা হয় যে, এই উদ্যোগের মধ্য দিয়েই প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয়ভাবে বিদেশে জনশক্তি রপ্তানি শুরু হয়। একই সঙ্গে বিদেশে দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা বিবেচনায় দেশে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ জিয়াউর রহমান নিয়েছিলেন। বর্তমানে সৌদি আরবে প্রায় ৩০ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত আছেন বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, ওমান, কাতার ও বাহরাইনেও বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মরত আছেন। মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের শ্রমবাজার তৈরির ‘একক কৃতিত্ব’ জিয়াউর রহমানের বলে বিএনপি দাবি করেছে।

আরাফাতের ময়দানের নিমগাছ প্রসঙ্গে পোস্টে বলা হয়েছে, সৌদি নাগরিকেরা এসব গাছকে ‘জিয়া ট্রি’ নামে চেনেন, কারণ জিয়াউর রহমান উপহার হিসেবে এসব গাছ সেখানে পাঠিয়েছিলেন। এছাড়াও ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ এবং পরবর্তী সময়ে খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অগ্রগতির বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। বিএনপির দাবি, ‘শহীদ জিয়ার সবুজ বিপ্লবের কারণেই’ বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে যায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাজ্যে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৩ ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, তদন্ত অব্যাহত

আরাফাতের ময়দানে ‘জিয়া ট্রি’ নামক নিমগাছ: বিএনপির দাবি ও বাস্তবতা

আপডেট সময় : ০৭:৫২:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

বিএনপি দাবি করেছে, সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে একটি বাগান রয়েছে যা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ঘিরে আবর্তিত এবং সেখানকার বহু নিমগাছ ‘জিয়া ট্রি’ নামে পরিচিত। দলটির পক্ষ থেকে এই দাবির সপক্ষে একটি পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা হয়েছে।

বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করা হয়, সৌদি বাদশাহ খালিদ বিন আব্দুল আজিজের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় জিয়াউর রহমান বিমানের কার্গো ভর্তি নিমগাছের চারা নিয়ে গিয়েছিলেন, যা আরাফাতের ময়দানে লাগানো হয়েছিল। পোস্টে একটি কথোপকথনের উল্লেখ করে বলা হয়, জিয়াউর রহমান সৌদি বাদশাহকে বলেছিলেন, ‘তোমার দেশে যা নেই, আমার দেশে তা আছে। আবার আমার দেশে যা নেই, তা তোমার দেশে আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার দেশে অনেক পরিশ্রমী মানুষ আছে। তারা অনেক কাজ করতে পারে। আর তোমার দেশে যেমন কাজ আছে, তেমনি টাকাও আছে।’

বিএনপির পোস্টে আরও দাবি করা হয় যে, এই উদ্যোগের মধ্য দিয়েই প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয়ভাবে বিদেশে জনশক্তি রপ্তানি শুরু হয়। একই সঙ্গে বিদেশে দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা বিবেচনায় দেশে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ জিয়াউর রহমান নিয়েছিলেন। বর্তমানে সৌদি আরবে প্রায় ৩০ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত আছেন বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, ওমান, কাতার ও বাহরাইনেও বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মরত আছেন। মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের শ্রমবাজার তৈরির ‘একক কৃতিত্ব’ জিয়াউর রহমানের বলে বিএনপি দাবি করেছে।

আরাফাতের ময়দানের নিমগাছ প্রসঙ্গে পোস্টে বলা হয়েছে, সৌদি নাগরিকেরা এসব গাছকে ‘জিয়া ট্রি’ নামে চেনেন, কারণ জিয়াউর রহমান উপহার হিসেবে এসব গাছ সেখানে পাঠিয়েছিলেন। এছাড়াও ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ এবং পরবর্তী সময়ে খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অগ্রগতির বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। বিএনপির দাবি, ‘শহীদ জিয়ার সবুজ বিপ্লবের কারণেই’ বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে যায়।