পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, ঈদের প্রথম দিনের কোরবানির বর্জ্য মাত্র আট ঘণ্টার মধ্যে, অর্থাৎ রাত ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যেই অপসারণ সম্পন্ন করা হবে।
সম্প্রতি জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএসসিসির পক্ষ থেকে এই কর্মপরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। ডিএসসিসি জানায়, ঈদের দিন দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে কলাবাগান এসটিএস থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে বর্জ্য পরিবহন শুরু হবে। প্রথম দিনের বর্জ্য অপসারণের জন্য আট ঘণ্টার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা দ্রুত ও কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ইঙ্গিত দেয়।
এ বছর তিন দিনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মোট ৩৩ হাজার ৯৪২ টন বর্জ্য উৎপন্ন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই বিশাল পরিমাণ বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমে ১৩ হাজার ৪৫৩ জন জনবল এবং ২ হাজার ১১৭টি বিভিন্ন ধরনের যান-যন্ত্রপাতি নিয়োজিত থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে ট্রাক, কম্প্যাক্টর এবং পে-লোডারসহ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি।
সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ডিএসসিসির ৭৫টি ওয়ার্ডে ৪৬ টন ব্লিচিং পাউডার, ২১০ গ্যালন স্যাভলন এবং ১ লাখ ৪০ হাজার বায়োডিগ্রেডেবল ব্যাগ বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়াও, কোরবানির হাটের কার্যক্রম ও বর্জ্য অপসারণ তদারকিতে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে। প্রতিটি পশুর হাটে আলাদা তদারকি টিম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং মেডিক্যাল টিম দায়িত্ব পালন করবে।
নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডিএসসিসি বলেছে, নির্ধারিত স্থানেই কোরবানি সম্পন্ন করতে হবে এবং পশুর বর্জ্য ব্যাগে ভরে নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে। পাশাপাশি, কোরবানি শেষে স্থানটি পানি দিয়ে ধুয়ে ব্লিচিং পাউডার বা স্যাভলন ছিটিয়ে জীবাণুমুক্ত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। ড্রেন বা নর্দমায় কোনো ধরনের বর্জ্য না ফেলার জন্যও নগরবাসীকে বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে সংস্থাটি।
রিপোর্টারের নাম 

























