ঢাকা ০৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

মোহনগঞ্জে তীব্র গরমে লোডশেডিংয়ের তাণ্ডব, অতিষ্ঠ জনজীবন

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় তীব্র দাবদাহের মধ্যে ভয়াবহ লোডশেডিং ও ভোল্টেজ বিভ্রাটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবন। চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের সরবরাহ অর্ধেকেরও কম হওয়ায় দিন ও রাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রোগীরা।

স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে জানা গেছে, মোহনগঞ্জ জোনাল অফিসের অধীনে ৫৩ হাজার গ্রাহকের জন্য প্রতিদিন প্রায় ১৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন। তবে জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৪ থেকে ৫ মেগাওয়াট। পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ না থাকায় সাতটি ফিডারের মধ্যে অধিকাংশ সময় মাত্র ৩-৪টি ফিডার চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে, যার ফলে এলাকাভেদে কয়েক ঘণ্টা পরপর লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।

তীব্র গরমে অতিষ্ঠ স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ৪-৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে, যা অসহনীয়। বিশেষ করে রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু ও বৃদ্ধদের কষ্ট চরমে পৌঁছেছে। এছাড়া ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারণে ফ্রিজে রাখা পচনশীল খাবার নষ্ট হচ্ছে এবং সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় ত্রুটিপূর্ণ লাইন মেরামতেও দীর্ঘ সময় লাগছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রথযাত্রায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের

মোহনগঞ্জে তীব্র গরমে লোডশেডিংয়ের তাণ্ডব, অতিষ্ঠ জনজীবন

আপডেট সময় : ০৭:২৩:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় তীব্র দাবদাহের মধ্যে ভয়াবহ লোডশেডিং ও ভোল্টেজ বিভ্রাটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবন। চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের সরবরাহ অর্ধেকেরও কম হওয়ায় দিন ও রাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রোগীরা।

স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে জানা গেছে, মোহনগঞ্জ জোনাল অফিসের অধীনে ৫৩ হাজার গ্রাহকের জন্য প্রতিদিন প্রায় ১৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন। তবে জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৪ থেকে ৫ মেগাওয়াট। পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ না থাকায় সাতটি ফিডারের মধ্যে অধিকাংশ সময় মাত্র ৩-৪টি ফিডার চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে, যার ফলে এলাকাভেদে কয়েক ঘণ্টা পরপর লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।

তীব্র গরমে অতিষ্ঠ স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ৪-৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে, যা অসহনীয়। বিশেষ করে রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু ও বৃদ্ধদের কষ্ট চরমে পৌঁছেছে। এছাড়া ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারণে ফ্রিজে রাখা পচনশীল খাবার নষ্ট হচ্ছে এবং সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় ত্রুটিপূর্ণ লাইন মেরামতেও দীর্ঘ সময় লাগছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।